প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জাপানের দক্ষিণাঞ্চলীয় কিউশু দ্বীপের কুমামোতো প্রশাসনিক অঞ্চলে মঙ্গলবার স্থানীয় সময় ৭ দশমিক ১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। ভূমিকম্পের পরপরই ঘটে ঘটে একটি বড় শপিং মলে বিস্ফোরণ ও আংশিক ধসের ঘটনা। এতে অন্তত ২০ থেকে ৩০ জন কর্মী নিখোঁজ রয়েছেন। পাশাপাশি একটি কারখানার চিমনি ধসের কারণে একাধিক কর্মী নিখোঁজ হয়েছেন। বিভিন্ন এলাকায় সড়ক দ্বিখণ্ডিত হয়ে পড়েছে এবং প্রায় ৪৮ হাজার বাড়িঘর বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে।
ভূমিকম্পের পর কুমামোতোর সবচেয়ে বড় শপিং মল, যেটি হলো ইয়ন, সেখানে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। প্রায় ২০০টি দোকান থাকা মলটির এক দিক ধসে পড়েছে। স্টিলের বিম ও ধ্বংসাবশেষ পার্কিং লটে ছড়িয়ে পড়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে গ্যাস লাইন ফেটে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটতে পারে। স্থানীয় পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা নিখোঁজ কর্মীদের উদ্ধারে অভিযান চালাচ্ছেন। আশপাশের বাসিন্দাদের ভাষ্য অনুযায়ী বিস্ফোরণের পর বিশাল ধোঁয়া ও ছাই চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে।
ভূমিকম্পের আঘাতে নিপ্পন পেপার ইন্ডাস্ট্রিজের একটি কারখানার চিমনি ধসে পড়ে। এর কারণে একাধিক কর্মী নিখোঁজ হন। দুটি স্থানীয় হাসপাতালে শতাধিক আহতকে ভর্তি করা হয়েছে, যাদের মধ্যে অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
কিউশু ইলেকট্রিক পাওয়ার জানিয়েছে প্রায় ৪৮ হাজার বাড়িতে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। একই সঙ্গে বিমান চলাচল ও শিনকানসেন বুলেট ট্রেন পরিষেবা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। তবে অঞ্চলের পারমাণবিক কেন্দ্রগুলোতে কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাাইচি জরুরি বার্তায় ক্ষয়ক্ষতির পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের কথা জানিয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। প্রায় তিন লাখ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরে যেতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উদ্ধারকাজে সেনাবাহিনীর শত শত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
ভূমিকম্পের পর সুনামির সতর্কতা জারি করা হলেও পরে তা প্রত্যাহার করা হয়। উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে একই কুমামোতো অঞ্চলে প্রাণঘাতী ভূমিকম্পে ২৭৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন