প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভালেন্সিয়ার মেস্তায়ার মাঠে একতরফা গোলের উৎসবে মেতে উঠেছিল দর্শকরা। লামিনে ইয়ামালের দুটি গোলের পাশাপাশি ফের্মিন লোপেস, রাফিনিয়া এবং পেদ্রির গোলে ভালেন্সিয়াকে ৫-০ ব্যবধানে পরাজিত করেছে বার্সেলোনা। এই জয়ের মাধ্যমে লা লিগায় নিজেদের দুর্দান্ত ছন্দ বজায় রাখার পাশাপাশি শীর্ষস্থানে আরও শক্তিশালী হয়েছে হানসি ফ্লিকের দল।
ম্যাচের শুরু থেকেই বার্সেলোনার নিয়ন্ত্রণ ছিল স্পষ্ট। ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটে ফের্মিন লোপেসের নিখুঁত পাস কাজে লাগিয়ে গোলরক্ষকের মাথার ওপর দিয়ে বল জালে পাঠান ইয়ামাল। এটি ছিল মৌসুমে তরুণ ফরোয়ার্ডের তৃতীয় গোল।
দুই মিনিট পর ইয়ামাল ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুযোগ পেয়েছিলেন। তবে পর্যালোচনায় অফসাইড ধরা পড়ায় সেই গোলটি বাতিল হয়। তাতে বার্সার আক্রমণের ধার কমেনি। ২২ মিনিটে দারুণ একটি আক্রমণ থেকে গোল করে দলকে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন ফের্মিন লোপেস। চলতি আসরে এটি ছিল তার চতুর্থ গোল।
বিরতির পর বার্সেলোনা আরও ভয়ংকর হয়ে ওঠে। পাল্টা আক্রমণ থেকে ফের্মিনের বাড়ানো বল পেয়ে ৩-০ করেন রাফিনিয়া। এই গোলের মাধ্যমে মৌসুমে তার গোলসংখ্যা ছয়ে পৌঁছায়।
তিন গোলের লিড পাওয়ার পর ফ্লিক গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন খেলোয়াড়কে তুলে নেন। গ্রীষ্মকালীন দলবদলে বার্সায় যোগ দেওয়া রদ্রিও এদিন প্রথমবারের মতো দলের শুরুর একাদশে সুযোগ পান।
৮০ মিনিটে বার্সার চতুর্থ গোলটি আসে পেদ্রির পা থেকে। দানি ওলমোর সঙ্গে দারুণ সমন্বয় করে জায়গা তৈরি করে নিচু শটে ভালেন্সিয়ার জালে বল পাঠান স্প্যানিশ মিডফিল্ডার।
ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার আগে আবারও গোলের দেখা পান ইয়ামাল। ওলমোর নিখুঁত পাস থেকে বল নিয়ে জোরালো শটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন তিনি। এতে ৫-০ গোলের বিশাল জয় নিশ্চিত হয় বার্সেলোনার।
চলতি মৌসুমে বার্সেলোনা শুরু থেকেই দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখাচ্ছে। লিগের প্রথম চার ম্যাচেই প্রতিপক্ষের জালে ১৭ বার বল পাঠিয়েছে কাতালান ক্লাবটি। অপরদিকে, ভালেন্সিয়ার জন্য মৌসুমের শুরুটা হতাশার। প্রথম জয়ের অপেক্ষায় থাকা দলটি আগামী শুক্রবার সেভিয়ার মুখোমুখি হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন