প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে জামালপুরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে হাত ধোয়ার সঠিক নিয়ম, ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে হাত ধোয়ার অনুশীলন প্রদর্শন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর ২০২৬ খ্রি.) জামালপুর জিলা স্কুলে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, জামালপুরের আয়োজনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, জামালপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী জনাব মোহাম্মদ জামাল হোসেন।
অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের সামনে সাবান ও পরিষ্কার পানি দিয়ে হাত ধোয়ার সঠিক পদ্ধতি হাতে-কলমে প্রদর্শন করা হয়। এ সময় হাতের তালু, হাতের পিঠ, আঙুলের ফাঁক, নখের চারপাশ ও বৃদ্ধাঙ্গুলিসহ হাতের প্রতিটি অংশ ভালোভাবে পরিষ্কার করার নিয়ম শেখানো হয়। জীবাণুমুক্ত থাকতে কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড ধরে সাবান দিয়ে হাত ঘষে ধোয়ার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
বক্তারা বলেন, হাত ধোয়া একটি সহজ কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যকর অভ্যাস। সঠিক নিয়মে হাত ধোয়ার মাধ্যমে ডায়রিয়া, কলেরা, আমাশয়, টাইফয়েডসহ বিভিন্ন সংক্রামক রোগের ঝুঁকি কমানো সম্ভব। বিশেষ করে খাবার খাওয়ার আগে, খাবার প্রস্তুতের আগে, শৌচাগার ব্যবহারের পরে এবং ময়লা বা জীবাণুযুক্ত বস্তু স্পর্শ করার পর সাবান দিয়ে ভালোভাবে হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।
অনুষ্ঠানে আরও বলা হয়, শিশু-কিশোরদের মধ্যে ছোটবেলা থেকেই হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারলে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজে স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করা সহজ হবে। এ জন্য শিক্ষার্থীদের নিজেদের পাশাপাশি পরিবারের সদস্য ও সহপাঠীদেরও হাত ধোয়ার সঠিক নিয়ম অনুসরণে উৎসাহিত করার আহ্বান জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, জামালপুরের প্রাক্কলনিক মো. সোহেল রানা, জামালপুর সদর-এর উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. জাকির হোসেন, সহকারী প্রকৌশলী মো. শাদমান মাহবুব, ড্রাফটসম্যান মো. সুমন মিয়া এবং ক্যাশিয়ার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর কবির উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া জামালপুর জিলা স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরাও অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
প্রদর্শনীর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের হাত ধোয়ার সঠিক পদ্ধতি, প্রয়োজনীয় সময় এবং নিয়মিত হাত ধোয়ার স্বাস্থ্যগত উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা দেওয়া হয়। এ ধরনের সচেতনতামূলক আয়োজন শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন