প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির একজন জনপ্রিয় অভিনেত্রী কৃতি শ্যানন সম্প্রতি দিল্লি হাইকোর্টে নিজের ব্যক্তিত্বের অধিকার সুরক্ষিত রাখার জন্য আবেদন করেছেন। তিনি আইনি সুরক্ষা দাবি করেছেন, যাতে তার নাম, মুখ, ছবি ও কণ্ঠস্বর অথবা পরিচিতি অনুমতি ছাড়া বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা না হয়।
বর্তমানে বিনোদন জগতের তারকাদের নাম ও ছবি বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে অনুমতি ছাড়া ব্যবহারের ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এআই দ্বারা তৈরি কনটেন্ট, ডিপফেক এবং ডিজিটাল ছদ্মপরিচয়ের মাধ্যমে তারকাদের পরিচয় ব্যবহারের মতো বিষয়গুলো আদালতে মামলা সৃষ্টি করছে। কৃতি শ্যাননের মতো একাধিক তারকা এর আগে নিজেদের নাম, চেহারা ও কণ্ঠের সুরক্ষা নিয়ে আদালতে আবেদন করেছেন।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) এই মামলার শুনানিতে আদালত ব্যক্তিত্বের অধিকার নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন উত্থাপন করে। আদালত এ অধিকার কী কী বিষয়কে সুরক্ষা দেয়, তা স্পষ্ট করতে প্রাসঙ্গিক রায় ও আইনি গবেষণাপত্র জমা দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে। দিল্লি হাইকোর্ট জানিয়েছে, আইনজীবীদের জমা দেওয়া রায় ও গবেষণাপত্র পর্যালোচনা করে বিস্তারিত আদেশ প্রদান করা হবে। মামলাটির পরবর্তী শুনানি ২৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে।
বিচারপতি পুরুষেন্দ্র কুমার কৌরবের এজলাসে মামলাটির শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। কৃতি শ্যাননের পক্ষে আদালতে আইনজীবী প্রবীণ আনন্দ উপস্থিত ছিলেন। শুনানির শুরুতে বিচারপতি জানতে চান— ব্যক্তিত্বের অধিকার আওতায় কোন বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। আদালত আইনি সীমা ও পরিধি সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে চেয়েছে।
কৃতির আইনজীবীকে এ বিষয়ে প্রাসঙ্গিক বিচারবিভাগীয় রায়, গবেষণাপত্রসহ অন্যান্য আইনি নথির সংকলন জমা দিতে বলা হয়েছে। আদালতের সামনে এ অধিকার সম্পর্কে তার নিজস্ব আইনি ব্যাখ্যা তুলে ধরার জন্যও বলা হয়েছে।
এদিকে, কৃতি শ্যাননকে সর্বশেষ ‘ককটেল ২’ সিনেমায় দেখা গেছে। ১৯ জুন মুক্তি পাওয়া সিনেমাটি তেমন সাফল্য অর্জন করতে পারেনি। সিনেমার গল্পের দুর্বলতা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হয়েছে। কৃতির সঙ্গে সিনেমায় শহীদ কাপুর ও রাশমিকা মান্দানা জুটি বেঁধে কাজ করেছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন