প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গাজীপুরে বাস র্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্প বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে অবস্থান ধর্মঘট ও মানববন্ধন কর্মসূচি আয়োজন করেছে সচেতন নাগরিক ঐক্য, গাজীপুর।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল ১১টায় নগরীর ভোগড়া বাইপাস এলাকায় এই কর্মসূচিটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির মুখ্য সংগঠক আলী নাছের খান।
আলী নাছের খান মন্তব্য করেন, বিআরটি প্রকল্পের মাত্র ৩ শতাংশ কাজ বাকি রয়েছে। এই কাজ সম্পন্ন করে ১৮৭টি বাস কেনার জন্য ১ হাজার ৪০০ কোটি টাকা ব্যয় করলে প্রকল্পটি সম্পন্ন করা সম্ভব। কিন্তু যাঁরা এখানে ১ হাজার কোটি টাকার ঠিকাদারি কাজ গ্রহণ করতে চান এবং কাজ না করেই ঠিকাদারকে আরও ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা ফেরত দিতে চান, তাঁদের স্বার্থে প্রকল্পটি বাতিলের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।
তিনি অভিযোগ করেন, ঠিকাদার সিন্ডিকেট, ‘মুড়ির টিন’ সিন্ডিকেট পরিবহন, স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং বিএনপির দুর্নীতিবাজ নেতারা আমলাতন্ত্রকে প্রভাবিত করে সচিবের একটি সিদ্ধান্তের মাধ্যমে কোনো আলোচনা ছাড়াই বিআরটি প্রকল্প বাতিল করতে চাইছেন।
তিনি আরও বলেন, প্রকল্পটি নির্মাণ করতে ১৪ বছর সময় লেগেছে। এখন এটি ভাঙতে আরও পাঁচ বছর লাগবে। ভবিষ্যতে ছয় লেনের সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে তিন লেনে যানবাহন চলবে, আর বাকি তিন লেনে চলবে ভাঙার কাজ। এতে গাজীপুরবাসীকে তীব্র যানজটের দুর্ভোগ ভোগ করতে হবে এবং অঞ্চলটি বিনিয়োগ থেকে বঞ্চিত হবে। নতুন করে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও হাসপাতালসহ কোনো প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠার সম্ভাবনাও বাধাগ্রস্ত হবে। ফলে গাজীপুরের উন্নয়নের সম্ভাবনা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
আলী নাছের খান সরকারের কাছে দাবি জানান, প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে বিআরটি প্রকল্প চালু করতে হবে। অন্যথায়, তাঁরা ধারাবাহিক প্রতিরোধ কর্মসূচি পালন করবেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন