প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভাদ্র মাসের তীব্র খরতাপ এবং ভ্যাপসা গরমে কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার বাসিন্দারা হাঁসফাঁস অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। গত কয়েকদিনের টানা তাপদাহে মাঠ, ঘাট এবং পথপ্রান্তর তপ্ত হয়ে উঠেছে। একটু স্বস্তির বাতাসের খোঁজে মানুষ গাছের ছায়ায় ছুটছেন। দুপুরের তীব্র রোদে রাস্তাঘাট এবং হাটবাজার ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে। গরমের এই প্রভাব একদিকে দৈনন্দিন জীবনযাত্রাকে স্থবির করে দিয়েছে, অন্যদিকে গরমজনিত ও পানিবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব বাড়ছে।
ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার গ্রাম থেকে বাজার— সর্বত্র গরমের একই প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। যারা কাজের তাগিদে বাইরে বের হচ্ছেন, তারা রোদের তীব্রতায় অতিষ্ঠ হয়ে পড়ছেন। বিশেষ করে নিম্নআয়ের এবং শ্রমজীবী মানুষের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে।
রোদের তীব্রতায় অতিষ্ঠ হয়ে উপজেলার স্থানীয় এক পথচারী মন্তব্য করেন, ‘যে রোদ আর গরম পড়েছে, বাইরে টিকে থাকা অসম্ভব। দুপুর হলেই রাস্তাঘাট জনশূন্য হয়ে পড়ে। একটু বাতাসের আশায় গাছের ছায়ায় বসেও শান্তি মিলছে না।’
এদিকে, আবহাওয়ার এই বৈরী পরিবর্তনের ফলে ব্রাহ্মণপাড়ার ঘরে ঘরে ছড়িয়ে পড়ছে জ্বর, সর্দি, কাশি এবং ডায়রিয়া। আক্রান্তদের মধ্যে শিশু ও প্রবীণদের সংখ্যা বেশি। উপজেলার সরকারি এবং বেসরকারি চিকিৎসাকেন্দ্রে দিন দিন এসব রোগীর ভিড় বৃদ্ধি পাচ্ছে।
তবে এ পরিস্থিতি নিয়ে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন স্বাস্থ্য বিভাগ। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. মনিরুল ইসলাম জানান, ‘আবহাওয়ার আকস্মিক পরিবর্তনের কারণে সব বয়সের মানুষই কম-বেশি জ্বর, সর্দি ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে। অনেকের ভাইরাসজনিত তীব্র জ্বর হচ্ছে। তবে এতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।’
তিনি আরও বলেন, এই সময়ে শিশু ও বয়স্কদের যতটা সম্ভব ঠান্ডা ও ছায়াযুক্ত স্থানে রাখা উচিত। খুব বেশি প্রয়োজন ছাড়া তীব্র গরমে বাইরে বের না হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। পাশাপাশি পানিবাহিত রোগ এড়াতে ফোটানো বা বিশুদ্ধ পানি পান করার এবং যেকোনো অসুস্থতায় দ্রুত নিবন্ধিত (রেজিস্টার্ড) চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার অনুরোধ জানান এই স্বাস্থ্য কর্মকর্তা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন