প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিশ্বকাপে হতাশাজনক বিদায়ের পর, দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় ফুটবল ফেডারেশনের প্রধান চুং মং-গিউ তার পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। সোমবার (৬ জুলাই) দক্ষিণ কোরিয়ার ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (কেএফএ) জানিয়েছে যে, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে শেষ বৈঠকের পর চুং আনুষ্ঠানিক পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।
২০১৩ সাল থেকে দায়িত্ব পালনকালে, চুং বলেছেন, "এমন কিছু মুহূর্ত ছিল যখন আমি প্রত্যাশা পূরণ করতে পেরেছি, আবার এমন কিছু মুহূর্তও ছিল যখন আমি আপনাদের গভীরভাবে হতাশ করেছি।" তিনি আরও বলেন, "সব সাফল্যের কৃতিত্ব আমাদের ফুটবলার ও সমর্থকদের, আর সব ভুলের দায়ভার আমার।"
চুং আরও যোগ করেছেন, "আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, অতীতে যেমনটা হয়েছে এবারও কোরিয়ান ফুটবল সব প্রতিকূলতা কাটিয়ে আবারও সাফল্যের উচ্চ শিখরে পৌঁছাবে।"
এর আগে, গত ২৯ মে বিশ্বকাপ শেষে দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা জানিয়েছিলেন চুং মং-গিউ। বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ১-০ ব্যবধানের হারের ফলে তিনি পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন।
২০২৪ সালের জুলাই মাসে, হং এর নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে সমালোচনা সৃষ্টি হয়। ওই বছর সংস্কৃতি, ক্রীড়া ও পর্যটন মন্ত্রণালয় ফুটবল ফেডারেশনের কার্যক্রম নিয়ে ব্যাপক তদন্ত চালায়। এই সময় বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে চুং ও কেএফএ-র অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।
কেএফএ এখন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আইনি লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়েছে। বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর, মন্ত্রণালয় ফুটবল সংস্থাটির বিরুদ্ধে আরও একটি নিরীক্ষা বা অডিট চালানোর পরিকল্পনা করছে। কেএফএ-র নিয়ম অনুযায়ী, নির্বাচনের আগে সংস্থার চারজন সহ-সভাপতির মধ্যে একজন অন্তর্বর্তীকালীন সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। চুং-এর চতুর্থ মেয়াদে তখনো প্রায় তিন বছর বাকি ছিল। বিদায়ী সভাপতির মেয়াদে যদি এক বছরের বেশি সময় বাকি থাকে, তবে ৬০ দিনের মধ্যে তার উত্তরসূরি নির্বাচন করতে হয়।
পুরুষদের বিশ্বকাপে এশিয় মহাদেশের জন্য দক্ষিণ কোরিয়ার ২০০২ সালের সেমিফাইনালে ওঠার কৃতিত্বটিই বর্তমানে মানদণ্ড হিসেবে বিবেচিত হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন