প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
হবিগঞ্জের পৃথক তিনটি স্থানে বজ্রপাতে নারীসহ তিনজন প্রাণ হারিয়েছেন। এ ঘটনায় আরও চারজন আহত হয়েছেন।
রোববার (৭ জুন) এই ঘটনার অবতারণা ঘটে।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন— শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার কাজীরগাঁও গ্রামের আলতাফ আলীর স্ত্রী রাহেলা বেগম (৪৫), বাহুবল উপজেলার মিরপুর চকফাজিল গ্রামের সুরেশ দেবনাথের ছেলে রিংকু দেবনাথ (৩০) এবং বানিয়াচং উপজেলার শ্রীমঙ্গলকান্দি গ্রামের জয়দর আলীর ছেলে সুজন মিয়া (১৬)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার আছরের দিকে শায়েস্তাগঞ্জের কাজীরগাঁও গ্রামে বাড়ির পাশে কাজ করার সময় বজ্রপাতে রাহেলা বেগম ঘটনাস্থলেই মারা যান।
আরেক দিকে, রিংকু দেবনাথ বোনের বাড়িতে বেড়াতে এসে চুনারুঘাটে অকালপন্থীতে ছিলেন। বিকেলে, তিনি তার ভাগিনা পিযুষ দেবনাথকে সঙ্গে নিয়ে একটি বাড়ির ছাদে পানি ট্যাংকি পরিষ্কার করছিলেন। তখন বৃষ্টি শুরু হলে হঠাৎ বজ্রপাতে ঘটনা ঘটে। বজ্রপাতে তারা দুজনই ছাদ থেকে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে স্বজনরা তাদের উদ্ধার করে চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রিংকু দেবনাথকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত পিযুষ দেবনাথ চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এদিকে, একই সময়ে বানিয়াচং উপজেলার শ্রীমঙ্গলকান্দি গ্রামে বজ্রপাতে চার যুবক আহত হন। তাদের হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সুজন মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে, আহত সিয়াম মিয়া (১৭), হাফিজ উদ্দিন (২২) ও পারভেজ মিয়া (২৫) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
হবিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল হক, শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসি মো. আবুল কালাম এবং বানিয়াচং থানার ওসি শেখ নাজমুল হক বজ্রপাতে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন