০১:২৪ এম
রাজধানীর আদাবর থানাধীন শ্যামলী হাউজিং দ্বিতীয় প্রকল্প এলাকায় একজন যুবককে স্থানীয়রা আটক করে গণপিটুনি দিয়েছে, যার নাম জাহিদ (৩৮)। উক্ত যুবকের বিরুদ্ধে রয়েছে ছিনতাই ও অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে টাকা নেওয়ার অভিযোগ।
ঘটনাটি ঘটে শনিবার (২৭ জুন) সকালের দিকে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করতে গিয়ে আদাবর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ইয়ামিন সরকার জানান, তারা সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে জাহিদকে উদ্ধার করে প্রথমে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তাকে একটি মামলায় আদালতে নেওয়া হয়। আদালতে গিয়ে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরবর্তীতে, আদালতের সাথে সংযুক্ত ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাকে নেওয়া হলে সেখানে বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৪টায় তার মৃত্যু ঘটে। ময়নাতদন্তের জন্য রাত সাড়ে ১০টার দিকে তার মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
আরও পড়ুন: জাতিসংঘে মানবাধিকারভিত্তিক অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের আহ্বান বাংলাদেশ
তিনি আরও বলেন, জাহিদ মাদকাসক্ত যুবক ছিলেন এবং সব সময় নেশা করতেন। তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ নেই। তিনি মানুষের কাছে টাকা চেয়ে খেতেন। টাকা না পেলে ছিনতাইয়ের মাধ্যমে এবং ছুরি দিয়ে ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক টাকাপয়সা নেওয়া করতেন। শ্যামলী হাউজিং এলাকায় তার বসবাস ছিল। আজ এক খোরশেদ নামে ব্যক্তি থেকে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ৩০ হাজার টাকা নিয়েছিলেন। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করে গণপিটুনি দেয়। এই ঘটনায় থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
জাহিদ ভোলা জেলার লালমোহন উপজেলার মহেশখালী গ্রামের জয়নাল মিয়া ছেলে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন