প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা সাভারের আশুলিয়ায় নিখোঁজ হওয়ার পর প্রায় তিন ঘণ্টা পরে এক শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শিশুটির গলায় লাল স্কচটেপ প্যাঁচানো অবস্থায় এবং মুখের ভেতরে চাল ও পলিথিন ঢোকানো ছিল।
বুধবার (১৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় আশুলিয়ার ধামসোনা ইউনিয়নের ভাদাইল বাজার চৌরাস্তা এলাকায় হারুন মিয়ার মালিকানাধীন তিনতলা বাড়ির ছাদ থেকে ওই শিশুর মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।
এই নিহত শিশুর নাম আব্দুর রহমান (৫)। সে জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার বাগবাড়ি এলাকার মো. শহিদ মিয়ার ছেলে। তার পরিবার ওই বাড়ির নিচতলার বাসায় ভাড়া থাকে।
পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে আব্দুর রহমান বাসা থেকে বের হয়। প্রায় ১০ মিনিট পর পরিবারের সদস্যরা তাকে খুঁজতে শুরু করেন। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান মিলছিল না।
এরপর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বাড়িওয়ালার স্ত্রী রিনা বেগম ছাদে হাঁসকে খাবার দিতে যান। সেখানে একটি হাঁস ধরতে গিয়ে নেটের নিচে সাদা রঙের একটি প্লাস্টিকের বস্তা দেখতে পান। কাছে গিয়ে বস্তার ভেতর শিশুটির মরদেহ দেখতে পান রিনা বেগম। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা সেখানে জড়ো হন।
রিনা বেগম বলেন, "আমি বাসার ছাদে হাঁস পালন করি। সন্ধ্যায় হাঁসকে খাবার দিতে ছাদে উঠি। পরে খাঁচা খোলার সময় একটা হাঁস বের হয়ে যায়। একে ধরতে গেলে উড়াল দিয়ে পাশে থাকা নেটের ওপর পড়ে। তখন নেটের নিচ থেকে একটা সাদা বস্তা বেরিয়ে আসে। আমি আরও কাছে গিয়ে বস্তাটিক দেখেছি, ভয় পেয়ে ডাকাডাকি শুরু করি। শুনে সবাই ওপরে আসে। এরপর বস্তার ভেতর বাচ্চাটির ওই অবস্থা দেখে আমি অজ্ঞান হয়ে যাই।"
আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম বলেন, "খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি মর্গে পাঠানো হয়েছে। কে বা কারা কী কারণে এই নির্মম হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন, পুলিশ সে বিষয় নিয়ে কাজ করছে।"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন