প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রপতির কার্যালয় আনুষ্ঠানিকভাবে ইউক্রেনের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা ও ব্যাখ্যা দাবি করেছে। অভিযোগ উঠেছে যে, কিয়েভ একতরফাভাবে দুজন উত্তর কোরীয় যুদ্ধবন্দীকে সিউলে হস্তান্তরের বিষয়টি প্রকাশ্যে এনেছে, যদিও দুই দেশের মধ্যে একটি গোপন চুক্তি ছিল। সিউল জানিয়েছে, কিয়েভ পরবর্তীতে এই ধরনের কোনো চুক্তি ছিল না বলে মিথ্যা দাবি করায় দুই দেশের মধ্যে বিশ্বাস মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রপতির জনসংযোগ বিষয়ক জ্যেষ্ঠ সচিব সিওং ঘি-হং এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, বন্দীদের নিরাপত্তা এবং কূটনৈতিক ও মানবিক দিক বিবেচনা করে এই হস্তান্তর গোপন রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। ইউক্রেন নিজেই দেশের সমালোচনার মুখে পড়ার ভয়ে বিষয়টি গোপন রাখার অনুরোধ করেছিল। কিন্তু পরবর্তীতে সিউলের সাথে পরামর্শ না করেই জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে বক্তৃতা দেওয়ার সময় ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতি ভলোদিমির জেলেনস্কি এটি প্রকাশ করেন এবং দাবি করেন যে কোনো গোপন চুক্তি ছিল না।
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং সোশ্যাল মিডিয়া এক্স-এ (সাবেক টুইটার) একটি পোস্টে কিয়েভের এই চুক্তি লঙ্ঘন ও তথ্য ফাঁসের ঘটনাকে ‘অত্যন্ত দুঃখজনক’ বলে অভিহিত করেছেন। সিওং ঘি-হং জানান, সরকার এই বিষয়ে প্রয়োজনে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টিও পর্যালোচনা করছে।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে রাশিয়ার কুর্স্ক অঞ্চল থেকে ইউক্রেন দুজন উত্তর কোরীয় সৈন্যকে আটক করেছিল। ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের পর তারা প্রথম জীবিত আটক হওয়া উত্তর কোরীয় সৈন্য। পরবর্তীতে বন্দীরা দক্ষিণ কোরিয়ায় যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলে দুই দেশের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে তাদের সিউলে পাঠানো হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন