প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি জানিয়েছেন, বাংলাদেশকে সহযোগিতা প্রদান এবং বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ও অভিন্ন সমৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে দুই সরকার প্রধান গুরুত্বারোপ করেছেন।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার দুপুর পৌনে ১২টায় টোকিওর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ‘কানতেই’তে অনুষ্ঠিত দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর তিনি এই কথা বলেন।
তিনি উল্লেখ করেন, জাপান বাংলাদেশকে গভীরভাবে সমর্থন করে এবং বে অব বেঙ্গল ঘিরে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী। জাপান বাংলাদেশে মেরিটাইম সেফটির জন্য সহযোগিতা করার আশ্বাসও দেন তিনি।
এছাড়া, বে অব বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রোথ বেল্টকে যুগোপযোগী করার বিষয়েও দুই দেশের মধ্যে ঐকমত্য রয়েছে বলে জানান তাকাইচি।
জাপানের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গত ৫০ বছরে বাংলাদেশ ও জাপানের সম্পর্ক ক্রমেই সুদৃঢ় হয়েছে। জাপান বাংলাদেশের এক বিশ্বস্ত ও দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন অংশীদার। বাংলাদেশে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে জাপান সব সময়ই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।’
দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে ‘কৌশলগত অংশীদারত্বে’ উন্নীত করার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে তাকাইচি আশা প্রকাশ করেন, এর মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। একই সঙ্গে দুই দেশের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।
এর আগে, জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় সময় বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে টোকিওর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ বৈঠক শুরু হয়।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পৌঁছালে তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। গার্ড অব অনার প্রদান শেষে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানান দেশটির প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, জাপান-বাংলাদেশ সম্পর্ক পারষ্পরিক শ্রদ্ধা ও বিশ্বাসের উপর নির্ভর করে। দুই দেশের বন্ধুত্বকে অর্থনৈতিক সুযোগ ও অভিন্ন সমৃদ্ধির শক্তিশালী ভিত্তিতে রূপান্তর করাই দুই দেশের লক্ষ্য।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন