১২:০৭ পি.এম
কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা তীব্র বিক্ষোভ, ভোট জালিয়াতির অভিযোগ এবং হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর অবশেষে পেরুর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। দেশের নির্বাচন দপ্তর আনুষ্ঠানিকভাবে রক্ষণশীল দলের প্রার্থী কেইকো ফুজিমোরিকে নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিজয়ী ঘোষণা করেছে।
গত ৭ জুনের রানঅফ (দ্বিতীয় দফা) নির্বাচনে ৫১ বছর বয়সী ফুজিমোরি ৫০.১৩৫% ভোট পেয়ে দেশের সর্বোচ্চ পদে জয়ী হন। এটি রাষ্ট্রপতি পদে তার চতুর্থবারের মতো প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল। তিনি তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী, বামপন্থী কংগ্রেসম্যান রবার্তো সানচেজকে মাত্র প্রায় ৫০,০০০ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছেন। মোট ভোট পড়েছিল ১ কোটি ৮০ লক্ষ।
আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ
দলের সদর দপ্তরে কর্মীদের উদ্দেশ্যে ফুজিমোরি বলেন, ‘আজ পেরুর জন্য এক নতুন যুগের সূচনা হলো—আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আস্থা পুনরুদ্ধারের জন্য দায়িত্ববোধ, সংলাপ ও ফলাফলের এক যুগ।’
আগামী ২৮ জুলাই ক্ষমতা গ্রহণের পর কেইকো ফুজিমোরি ২০১৬ সালের পর থেকে পেরুর ১০ম রাষ্ট্রপতি হবেন। তিনি অন্তর্বর্তীকালীন রাষ্ট্রপতি হোসে বালকাজারের স্থলাভিষিক্ত হবেন। কেইকো ফুজিমোরি হলেন পেরুর সাবেক প্রয়াত বিতর্কিত প্রেসিডেন্ট আলবার্তো ফুজিমোরির কন্যা, যিনি ১৯৯০ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত কঠোর হস্তে দেশ শাসন করেছিলেন।
কেইকো নিজেও অতীতে নির্বাচনী প্রচারণার অর্থায়নের অভিযোগে দীর্ঘ তদন্তের মুখে পড়েছিলেন এবং কয়েক দফায় প্রায় দেড় বছর জেল খেটেছেন। যদিও গত বছর তার সেই অভিযোগ প্রত্যাহার করা হয়।
তীব্র রাজনৈতিক বিভাজনে খণ্ডিত পেরুকে ঐক্যবদ্ধ করা এবং গ্রামীণ ও শহরের মধ্যকার বিশাল অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করাই এখন নতুন রাষ্ট্রপতি কেইকো ফুজিমোরির জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
আরও পড়ুন: আজ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ, ভোটার ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন