ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সংসদে ‘বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল-২০২৬’ উত্থাপন


সংসদে ‘বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল-২০২৬’ উত্থাপন

বগুড়ায় একটি পূর্ণাঙ্গ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে ‘বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল-২০২৬’ উত্থাপন করা হয়েছে। সরকার ২০০১ সালের ‘বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন’-এর পরিবর্তে নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন। পরে, বিলটি অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। কমিটিকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে এ বিষয়ে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

এতে আরো উল্লেখ করা হয়, ২০০১ সালের ১৫ জুলাই ‘বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন’ গেজেট আকারে প্রকাশিত হলেও সেটি কখনো কার্যকর করা হয়নি। বর্তমান সময়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রশাসনিক ও একাডেমিক প্রস্তুতি চলমান থাকায়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবর্তে একটি পূর্ণাঙ্গ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত আইনে বিজ্ঞান, জীবনবিজ্ঞান, প্রকৌশল, প্রযুক্তি, কলা, সামাজিক বিজ্ঞান, ব্যবসায় প্রশাসন, আইন, কৃষি, চিকিৎসাবিজ্ঞানসহ বিভিন্ন উদীয়মান ক্ষেত্রে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ রাখার বিধান করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: কমলনগরে নিষিদ্ধ সময়ে মা ইলিশ শিকারের দায়ে চারজনকে কারাদণ্ড ও জরিমানা

বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বগুড়ায় একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সরকারি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন এবং এ অঞ্চলে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যেই নতুন আইনটি প্রণয়ন করা হয়েছে। বিদ্যমান ২০০১ সালের আইনের প্রায় ৯৫ শতাংশ বিধান সংশোধনের প্রয়োজন হওয়ায়, সংশোধনের পরিবর্তে নতুন আইন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রস্তাবিত বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বৃহত্তর উত্তরাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণের পাশাপাশি গবেষণা, উদ্ভাবন ও কারিগরি দক্ষতা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা, কৃষি উন্নয়নে সহায়তা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতেও বিশ্ববিদ্যালয়টি ভূমিকা রাখবে।

উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং দেশের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে সহায়তার জন্য বগুড়ায় একটি পূর্ণাঙ্গ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা সময়োপযোগী, প্রয়োজনীয় ও যৌক্তিক বলে বিলে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ঢাকা-সৌদি রুটে ১০৭ ফ্লাইট বাতিল, ১৬ হাজার ৬২০ যাত্রী ভোগান্তিতে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রের ‘মহান বন্ধু’ তুরস্ক : ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১২ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্রের ‘মহান বন্ধু’ তুরস্ক : ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তুরস্কের ভূয়সী প্রশংসা করে দেশটিকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘মহান (গ্রেট) মিত্র’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে, তিনি আলজাজিরার প্রতিবেদনের মাধ্যমে জানিয়েছেন, আঙ্কারায় তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোয়ানের সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় ট্রাম্প আরো জানান, ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন আঙ্কারায় অনুষ্ঠিত হওয়ায় তিনি এতে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

তিনি তুরস্ক সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে বলেন, তুরস্ক ইরানকে ‘খুব ভালোভাবে চেনে’ এবং মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি মোকাবেলায় দেশটি ‘খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা’ পালন করেছে। এছাড়া, তিনি যুদ্ধের প্রসঙ্গেও আলোচনা করেছেন। ট্রাম্প বলেন, ‘কেউ কেউ বলছিল ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্কের কারণে তুরস্ক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারত। কিন্তু তারা তা করেনি।’

এ প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন, ‘তুরস্ক অত্যন্ত শক্তিশালী একটি সামরিক শক্তির দেশ।’ তিনি জানান, ‘তারা যুদ্ধে জড়ায়নি। হয়তো আমার কারণেই তারা তা করেনি। তবে চাইলে তারা অন্য পক্ষ হয়ে এই সংঘাতে অংশ নিতে পারত।’ তুরস্কের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্কের প্রশংসা করে ট্রাম্প বলেন, ‘অনেক দেশের সঙ্গে আমাদের দারুণ বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে, আর তুরস্ক তাদের মধ্যে অন্যতম। আমাদের মধ্যে এমন এক ধরনের ‘বোঝাপড়া ও রসায়ন’ রয়েছে, যা খুব ভালোভাবে কাজ করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অবশেষে বিয়ের পিঁড়িতে সাংবাদিক নিহারেন্দু চক্রবর্তী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ শরীফ উদ্দিন (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১৫ পি.এম


অবশেষে বিয়ের পিঁড়িতে সাংবাদিক নিহারেন্দু চক্রবর্তী

অবশেষে দীর্ঘদিনের জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরের সাংবাদিক ও বাংলাদেশ প্রেসক্লাব নাসিরনগর শাখার আহ্বায়ক সাংবাদিক নিহারেন্দু চক্রবর্তী।
নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক আবেগঘন স্ট্যাটাসে তিনি স্ত্রীকে সবার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। তিনি জানান, তাঁর সহধর্মিণীর নাম সুমা চক্রবর্তী। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর এলাকার বাসিন্দা মতিলাল চক্রবর্তীর কন্যা। বর্তমানে তাঁদের পরিবার নরসিংদীতে বসবাস করছেন।
সাংবাদিক নিহারেন্দু চক্রবর্তী জানান, গত ৬ জুলাই ২০২৬ নরসিংদীতে পারিবারিকভাবে তাঁদের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। পরিবারের বাস্তবতা, মায়ের শারীরিক ও মানসিক অবস্থা এবং আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে বিয়ের অনুষ্ঠান একেবারেই নীরবে সম্পন্ন করতে হয়েছে।
স্ট্যাটাসে তিনি আরও লেখেন, বাবা মারা যাওয়ার পর থেকে তাঁর মা একাই সংসারের সব দায়িত্ব পালন করে আসছেন। বয়স, শারীরিক অসুস্থতা এবং মানসিক কষ্ট সত্ত্বেও তিনি পরিবারের সব কাজ করে যাচ্ছেন। মায়ের এই কষ্ট দেখে অপরাধবোধ থেকেই তিনি সংসারের দায়িত্ব ভাগ করে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন এবং একজন সাধারণ, সাদাসিধে মেয়েকে জীবনসঙ্গিনী হিসেবে বেছে নেন।
তিনি বলেন, স্বপ্ন ছিল ঘটা করে বিয়ে করবেন, বন্ধু, সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের নিয়ে আনন্দ ভাগাভাগি করবেন। কিন্তু সময়, পারিবারিক পরিস্থিতি ও অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার কারণে বিয়ের গেট, গায়ে হলুদ, বরযাত্রী, বৌভাত কিংবা অন্য কোনো আনুষ্ঠানিক আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। এমনকি অনেক ঘনিষ্ঠ মানুষকেও বিষয়টি জানাতে পারেননি।
এ কারণে তিনি সবার কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করে ভবিষ্যতে সামর্থ্য হলে একটি বিবাহোত্তর সংবর্ধনার আয়োজন করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
স্ট্যাটাসের শেষাংশে সাংবাদিক নিহারেন্দু চক্রবর্তী লিখেছেন, যারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এবং আনন্দের খবরটি ছড়িয়ে দিয়েছেন, তাঁদের প্রতি তিনি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছেন। পাশাপাশি তিনি নিজের ও তাঁর সহধর্মিণীর জন্য সকলের দোয়া ও আশীর্বাদ কামনা করেছেন, যেন তাঁদের নতুন দাম্পত্য জীবন সুখী, সুন্দর ও কল্যাণময় হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১৫ পি.এম


স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী স্বাস্থ্য খাতের টেকসই রূপান্তর এবং নাগরিকদের জন্য সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকারের এবং বেসরকারি খাতের কার্যকর সমন্বয়ের পাশাপাশি উদ্যোক্তাবৃত্তির (এন্টারপ্রেনারশিপ) ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

আজ রাজধানী ঢাকার একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘পাথওয়েজ টু হেলথ এন্টারপ্রেনারশিপ ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি বিশেষ অতিথি হিসেবে এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস-প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এবং প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায়) ডা. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার। স্বাস্থ্য খাতের সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অংশীজনরা অনুষ্ঠানে যোগদান করেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, কেবল বাজেট বরাদ্দ বাড়ালেই হবে না। বিদ্যমান সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে সরকারি ও বেসরকারি খাতের যৌথ উদ্যোগ, আলোচনা এবং দিকনির্দেশনা ভবিষ্যতের পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করবে। তিনি স্বাস্থ্য খাতের জন্য একটি দূরদর্শী ও কার্যকর পরামর্শমূলক জোট গঠনের উদ্যোগকে স্বাগত জানান।

কিছু বলার সময়, তিনি আরও উল্লেখ করেন, দেশে দক্ষ উদ্যোক্তা, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, বেসরকারি হাসপাতাল এবং শক্তিশালী ওষুধ শিল্প রয়েছে। এবারের বাজেটে ওষুধ শিল্পের অ্যাকটিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রেডিয়েন্ট (এপিআই) উন্নয়নমূলক বড় ধরনের সহায়তা এবং পৃথক জোন প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে, এই সক্ষমতাকে মূল স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সঙ্গে কীভাবে আরো কার্যকরভাবে একীভূত করা যায়, সেটিই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে চিকিৎসা ব্যয়ের বড় অংশ জনগণকে নিজস্ব অর্থ থেকে বহন করতে হয়। এ ব্যয় কমিয়ে সবার জন্য সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকারি এবং বেসরকারি খাতের কার্যকর অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা জরুরি।

তিনি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিটি নাগরিকের অধিকার বলে উল্লেখ করেন। সরকার প্রাথমিক ও প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবার ওপর জোর দিচ্ছে। গ্রামীণ পর্যায়ে স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়াতে প্রায় ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে অতিরিক্ত সরকারি অবকাঠামো নির্মাণের পরিবর্তে বেসরকারি খাতের সুযোগ-সুবিধা ও দক্ষতাকে কাজে লাগানোর নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী আরও জানান, দেশে মেডিকেল যন্ত্রপাতি উৎপাদনে দেশি এবং বিদেশি উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে এবারের বাজেটে উল্লেখযোগ্য প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে, যা ইতোমধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।

তিনি আরও বলেন, সুযোগ এবং সঠিক নীতিমালা পেলে বাংলাদেশের মানুষ বিশ্বের অন্যতম সেরা উদ্যোক্তা হতে পারে। বর্তমান সরকার বেসরকারি খাতের নেতৃত্বাধীন প্রবৃদ্ধিতে বিশ্বাসী। জনগণের দোরগোড়ায় মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে সরকারের দূরদর্শী নেতৃত্ব, নীতিগত সহায়তা এবং উদ্যোক্তাদের উদ্যোগ দেশের স্বাস্থ্য খাতে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
সংসদে বিল পাস

পাবলিক পরীক্ষায় ডিজিটাল কারসাজির সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১৬ পি.এম


পাবলিক পরীক্ষায় ডিজিটাল কারসাজির সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড

পাবলিক পরীক্ষায় ডিজিটাল জালিয়াতি, ডাটাবেজে অননুমোদিত প্রবেশ, সংঘবদ্ধভাবে পরীক্ষা-সংক্রান্ত অপরাধ এবং নিষিদ্ধ ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশের মতো অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রেখে গৃহীত হয়েছে ‘দ্য পাবলিক এক্সামিনেশন্স (অফেন্সেস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট, ২০২৬’।

জনৈক প্রতিবেদক থেকে জানা যায়, মঙ্গলবার (৭ জুলাই) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন।

পরে কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়ে যায়। সংশোধিত আইনটি ১৯৮০ সালের ‘দ্য পাবলিক এক্সামিনেশন্স (অফেন্সেস) অ্যাক্ট’-কে যুগোপযোগী করে। প্রায় ৪৫ বছর আগে প্রণীত ওই আইনে নকল, প্রশ্নফাঁস, জাল সনদ ও অন্যান্য অনিয়ম প্রতিরোধের ব্যবস্থা থাকলেও বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ মোকাবেলায় নতুন নতুন বিধান যুক্ত করা হয়েছে।

নতুন আইনে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, পরীক্ষার ডাটাবেজে অনুমতি ছাড়া প্রবেশ, হ্যাকিং, তথ্য পরিবর্তন, পরীক্ষার রেকর্ডে কারসাজি বা যেকোনো ধরনের ডিজিটাল জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

এ ছাড়া আইনের মাধ্যমে ‘অর্গানাইজড এক্সামিনেশন ক্রাইম’ নামে নতুন অপরাধ যুক্ত করা হয়েছে। পাবলিক পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের অসদুপায় অবলম্বনে সহায়তা করার উদ্দেশ্যে লিখিত বা মৌখিক চুক্তি করা, প্রস্তাব দেওয়া কিংবা সংঘবদ্ধভাবে নকল বা প্রতারণার সুযোগ তৈরির চেষ্টা করলেও সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

এতোদিন পর্যন্ত, সংশোধিত আইনে পরীক্ষা কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া নিষিদ্ধ ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্র বা হলে প্রবেশ করাকেও অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। একই সঙ্গে সরকারি নির্দেশনা ইচ্ছাকৃতভাবে অমান্য করলেও পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড হতে পারে।

আইনে উল্লেখ থাকবে, শাস্তির আওতায় আসবে ইচ্ছাকৃতভাবে উত্তরপত্রে অতিরিক্ত বা কম নম্বর দেওয়া পরীক্ষকদের। এই অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড প্রদান করা যাবে। তবে শাস্তি দেওয়ার আগে তৃতীয় একজন পরীক্ষকের মাধ্যমে নম্বরের অসংগতি নিশ্চিত করতে হবে।

প্রশ্ন সংক্রান্ত কাজে যুক্ত প্রতিষ্ঠান ও সেবাদাতা সংস্থার দায়ও নির্ধারণ করা হয়েছে সংশোধিত আইনে। যদি কোনো প্রতিষ্ঠান পরীক্ষা-সংক্রান্ত অপরাধে সহায়তা করে অথবা যোগসাজশে জড়িত হয়, তাহলে অর্থদণ্ড, লাইসেন্স স্থগিত, কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি অথবা কালো তালিকাভুক্ত করার ব্যবস্থা নিতে পারে।

নতুন আইনে তথ্যদাতা বা হুইসেলব্লোয়ারদের সুরক্ষার বিধান রাখা হয়েছে। অপরাধের বিষয়ে বিশ্বাসযোগ্য তথ্য প্রদানকারীর পরিচয় গোপন রাখা এবং তাঁদের বিরুদ্ধে হয়রানি বা প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা থেকে সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে। এ সুরক্ষা লঙ্ঘনে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

আইনের মাধ্যমে বলা হয়েছে যে, কোনো শিশু যদি এ আইনের অধীনে অপরাধে জড়িত হয়, তাহলে তার বিচার শিশু আইন, ২০১৩ অনুযায়ী পরিচালিত হবে। মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য এসব অপরাধকে আমলযোগ্য অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। মহানগর এলাকায় মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট এবং মহানগরের বাইরে জ্যেষ্ঠ বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট এসব মামলার বিচার করবেন। বিচার কার্যক্রম ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে সম্পন্ন হবে।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে উল্লিখিত হয়েছে যে, প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরীক্ষা-সংক্রান্ত অপরাধের প্রবণতাও বৃদ্ধি পেয়েছে। সুতরাং, পাবলিক পরীক্ষায় স্বচ্ছতা ও নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে বিদ্যমান আইন সংশোধন অপরিহার্য হয়ে পড়েছিল। সাইবার অপরাধের মাধ্যমে পরীক্ষার ডাটাবেজে অননুমোদিত প্রবেশ ও ডিজিটাল ম্যানিপুলেশনকে অপরাধ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার সাথে ডিজিটাল জালিয়াতিতে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও জরিমানার বিধান এবং সংঘবদ্ধ পরীক্ষা জালিয়াতির বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ সংশোধিত আইনের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%