প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম এর নির্দেশে জেলা গোয়েন্দা শাখা নওগাঁ এর একটি টীম বদলগাছি থানা এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করেছে। এই অভিযানে টীমটি রাত ০৯ ঘটিকার সময় পিন্ডিরা গ্রামে সিয়ামের ভাই-বোন ট্রেডার্সের টিনের দোকানে দুইজন ব্যাক্তি পাওয়া যায়। উপস্থিত লোকজনের সামনে তাদের নাম ও ঠিকানা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। আসামীদের মধ্যে ১। আব্দুল মালেক মিল্টন (৪০) পিতা ওসমান আলী, সাং পিন্ডিরা, থানা বদল গাছি, জেলা নওগাঁ এবং ২। আল আমিন (৩৩) পিতা নুরুল সর্দার, সাং জগন্নাথ পুর, থানা বদল গাছি, জেলা নওগাঁ বলে পরিচয় দেয়।
এই সময় ২ নং আসামির হেফাজত হতে দুই বোতল ইসকাফ ফেন্সিড্রিল উদ্ধার করা হয়। ২ নং আসামি জানায় যে, ওই মালগুলো দোকানের মালিক ১ নং আসামি আব্দুল মালেক মিল্টনের। তার আরো মাল শরিফুলের দোকানে আছে বলেও জানায়। পরে আসামী ৩। শরিফুল (৩৮) পিতা কসিমুদ্দিন, সাং জিয়ল, থানাবদল গাছি, জেলা নওগাঁ-এর ফ্লেক্সি লোডের দোকানে তল্লাশী করা হয়। তল্লাশি সময়ে সাদা প্লাস্টিকের বাজার করা ব্যাগের ভিতরে ৩ বোতল এসকাফ ফেন্সিড্রিল পাওয়া যায়।
ধারাবাহিক অভিযানের ফলস্বরূপ ৩ নং আসামি জানায় যে, মালগুলো ১ নং আসামি আব্দুল মালেকের। সে সেগুলো তার কাছে রেখে দেয় এবং কাস্টমার পেলে সেগুলো বিক্রি করে টাকা ১ নং আসামি আব্দুল মালেকের কাছে দিতে বলে। ৩ নং আসামি আরো জানায় যে, ১ নং আসামি আব্দুল মালেকের বাড়িতে আরো মাল রয়েছে। পরে আসামী আব্দুল মালেকের বাড়িতে তল্লাশি করা হয়। যত্নের মাধ্যমে তল্লাশি চলাকালে তার বাড়ির পিছনে গর্তের ভিতর প্লাস্টিকের ব্যাগে ৫ বোতল এসকাফ ফেন্সিড্রিল উপস্থিত লোকজনের সামনে উদ্ধার করে জব্দ করা হয়। এই অভিযানে আসামী আল আমিনের কাছে মাদক বিক্রির ১১ হাজার ১২০ টাকা জব্দ করা হয়।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, আব্দুল মালেক একজন বড় মাদক কারবারি। সে বেশ কিছুদিন যাবত সীমান্ত পথে মাদকদ্রব্য এনে বিভিন্ন মাধ্যমে মাদকের কেনাবেচা করে আসছিল। এই বিষয়ে বদল গাছি থানায় আসামীদের বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন