প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত দেশের ডায়াবেটিস, থাইরয়েড এবং অন্যান্য হরমোনজনিত রোগের চিকিৎসা ও গবেষণার জন্য অ্যান্ডোক্রাইনোলজির মতো একটি জাতীয় ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের একটি সুপরিকল্পিত অ্যাডভোকেসি শুরু করার পরামর্শও দিয়েছেন।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হোটেলে নবম আন্তর্জাতিক অ্যান্ডোক্রাইন কনফারেন্সে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, দেশে বিভিন্ন রোগের চিকিৎসার জন্য অনেক বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। তবে অ্যান্ডোক্রাইনোলজির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এখনো কোনো জাতীয় ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয়নি। তিনি বলেন, "ডায়াবেটিস, থাইরয়েড ও স্থূলতাসহ হরমোনজনিত নানা জটিলতায় বিপুলসংখ্যক মানুষ ভুগছেন।"
ড. এম এ মুহিত বলেন, বারডেম, বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের মতো প্রতিষ্ঠানে অ্যান্ডোক্রাইনোলজি নিয়ে উল্লেখযোগ্য কাজ হচ্ছে। তিনি বলেন, "এসব অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ জাতীয় ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা ও যৌক্তিকতা তুলে ধরতে হবে।" এ বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা তৈরির ওপরও তিনি গুরুত্ব দেন।
তিনি আরও বলেন, সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা এবং গবেষণার সুযোগ বাড়ানোর স্বার্থে এ ধরনের উদ্যোগে সরকার ইতিবাচক পদক্ষেপ নেবে।
স্বাস্থ্য খাতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অতীতে বিভক্তি ও মানুষকে অসম্মান করার যে সংস্কৃতি তৈরি হয়েছিল, তা থেকে বেরিয়ে আসার ওপরও তিনি গুরুত্ব দেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, "প্রধানমন্ত্রী সেই সংস্কৃতি ভেঙে দেশকে ঐক্যবদ্ধ করার নিরলস চেষ্টা করছেন।" তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের ইতিবাচক চর্চা সমাজ ও স্বাস্থ্য খাতকে এগিয়ে নিতে সহায়তা করবে।
তরুণ চিকিৎসকদের গবেষণায় আরো মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে ড. মুহিত বলেন, মানবদেহের শারীরবৃত্তীয় ও রোগতাত্ত্বিক নানা বিষয়ের সঙ্গে ডায়াবেটিস, থাইরয়েড ও স্থূলতার গভীর সম্পর্ক রয়েছে। এসব বিষয়ে তরুণ চিকিৎসকদের গবেষণায় বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দেশের তরুণ গবেষকেরা আন্তর্জাতিক গবেষকদের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করবেন এবং আন্তর্জাতিক মানের জার্নালে বাংলাদেশের উপাত্ত ও গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করবেন।
অনুষ্ঠানে সোসাইটির সভাপতি ড. ফারিয়া আফসানার সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য দেন সংগঠনের চিফ পেট্রোন ফারুক পাঠান, ডা. নাসির উদ্দিন আহমেদ এবং রিসার্চ সেক্রেটারি ডা. নাজমা আক্তার।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন