০৭:৪৮ পি.এম
আইপিএলের ফ্র্যাঞ্চাইজির সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের মালিক কলানিধি মারানের কন্যা কাব্য মারানের বিয়ের বিষয়টি গত কয়েক মাস ধরে আলোচনা সাপেক্ষে রয়েছে। চলতি মাসে বিখ্যাত সঙ্গীতশিল্পী ও রজনীকান্তের ভাগ্নে অনিরুদ্ধ রবিচন্দরের সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে বসার পরিকল্পনা করছেন মারানে।
এই তারকা জুটির বিয়ের আমন্ত্রণপত্রের একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। বিয়ের অনুষ্ঠানটি আগামী ১১ নভেম্বর গ্রিসে অনুষ্ঠিত হবে। পরে দেশে একটি রিসেপশনও হবে। অতিথিদের হাতে আমন্ত্রণপত্র বিতরণ করা হচ্ছে এবং ইনস্টাগ্রামে তার কিছু ঝলক প্রকাশ করা হয়েছে।
যে সংস্থা আমন্ত্রণপত্রটি তৈরি করেছে, তাদের পোস্ট করা ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, আমন্ত্রণপত্রটি একটি বাক্সের ভিতরে রাখা হয়েছে। বাক্সের সঙ্গে আরও কিছু জিনিসপত্র রয়েছে, যদিও সেগুলি প্রকাশ করা হয়নি। তবে বাক্সটি বিশেষভাবে নজর কেড়েছে।
আরও পড়ুন: শাহরুখের ৬১তম জন্মদিনে ‘কিং’-এর প্রথম গান ‘তু মিল যায়ে’ প্রকাশ
ভাইরাল হওয়া নিমন্ত্রণপত্র এবং বাক্সের নকশা এতটাই আকর্ষণীয় যে, সেটিকে কার্ডের চেয়ে শিল্পকর্ম বলা যেতে পারে। তবে এই অভিনব নকশার পিছনে বর-কনের চাহিদা ছিল খুবই সাধারণ। তারা কী চেয়েছিলেন এবং কিভাবে এই বিশেষ আমন্ত্রণপত্র তৈরি হলো, সে বিষয়ে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নকশার দায়িত্বে থাকা শিল্পী রঞ্জনী আয়েঙ্গার কথা বলেছেন।
আইভরি, হালকা নীল এবং রুপোলি রঙের মিশ্রণে তৈরি এই আমন্ত্রণবাক্সটি সাবেকি আভিজাত্যের ছোঁয়া নিয়ে এসেছে। রঞ্জনীর মতে, ‘এই আমন্ত্রণপত্র তৈরির পুরো প্রক্রিয়ায় কাব্য নিজেও যথেষ্ট আগ্রহ দেখিয়েছেন। নকশার খুঁটিনাটি নিয়ে তিনি চিন্তা করেছেন। তারা এমন কিছু তৈরি করতে চেয়েছিলেন, যা হবে অভিজাত, মার্জিত এবং সময়ের সঙ্গে পুরনো হয়ে যাবে না। অতিথিরা যেন অনুষ্ঠান মিটে যাওয়ার পরেও সেটি যত্ন করে রেখে দিতে চান, সেটাই ছিল মূল ভাবনা।’
বিয়ের নিমন্ত্রণপত্রে সাধারণত ভারী রং, নকশা, ছবি বা ব্যক্তিগত মুহূর্তের ছোঁয়া থাকে। কিন্তু কাব্য ও অনিরুদ্ধের আমন্ত্রণপত্র সেই প্রবণতা থেকে খানিকটা আলাদা। যুগলের প্রেম, সম্পর্ক ইত্যাদি কার্ডে বর্ণনা করার ইচ্ছা তাদের ছিল না। শৈল্পিক নকশাকেই তারা মুখ্য চরিত্র হিসেবে তুলে ধরতে চেয়েছিলেন। তাই পাউডার নীল, আইভরি এবং রুপোলি— মাত্র এই তিনটি রঙের মধ্যেই গোটা নকশাকে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে।
রঞ্জনীর মন্তব্য, তিনি নিজে রং নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে ভালোবাসেন। কিন্তু এই কাজের ক্ষেত্রে মাত্র তিনটি রঙের মধ্যে থেকে নকশাকে আকর্ষণীয় করে তোলাই ছিল আসল কাজ। নকশাটি ব্যক্তিগত, তবে অতিরিক্ত সাজসজ্জায় ভারাক্রান্ত নয়। আমন্ত্রণপত্রের বাক্সের ভিতরে ঠিক কী কী রয়েছে, তা প্রকাশ করতে চাননি রঞ্জনী।
আরও পড়ুন: আজ সম্প্রচারিত হচ্ছে নাটক ‘গৃহযুদ্ধ’র শেষ পর্ব
আগামী বিয়ের মৌসুমে আমন্ত্রণপত্রের নকশায় নতুন নতুন উপকরণের ব্যবহার বাড়বে বলে আশা করছেন রঞ্জনী। ধাতু, কাঠ, ছাঁচে তৈরি উপকরণ, এমনকি প্লাস্টার অফ প্যারিস ব্যবহার করেও তিনি কাজ করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন