প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : নাসা গ্রুপের চেয়ারম্যান ও এক্সিম ব্যাংক পিএলসির সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার, তার ছেলে ওয়ালিদ ইবনে ইসলাম ও মেয়ে আনিকা ইসলামের হংকংয়ে থাকা সম্পদ জব্দ এবং ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ করার আদেশ দিয়েছেন আদালত।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. শাহজাহান কবির এ আদেশ দেন।
দুদকের যৌথ তদন্ত দলের (জেআইটি) টিম লিডার ও উপপরিচালক মো. রাউফুল ইসলাম এ আবেদন করেন।
আবেদনে বলা হয়, নজরুল ইসলাম মজুমদার, তার পরিবারের সদস্য ও সহযোগীরা বাংলাদেশের ২৬টি ব্যাংক থেকে প্রতারণার মাধ্যমে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ এবং যুক্তরাজ্য ও হংকংয়ে পাচার করেছেন বলে তদন্তে তথ্য পাওয়া গেছে।
এ ঘটনায় অর্থপাচার, ক্ষমতার অপব্যবহার ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে দুটি মামলা এবং অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে নজরুল ইসলাম মজুমদার ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে আরও দুটি মামলা রয়েছে। অর্থপাচারের একটি মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল হয়েছে এবং মামলাটি বিচারাধীন।
দুদকের তদন্তে নজরুল ইসলাম মজুমদার, ওয়ালিদ ইবনে ইসলাম ও আনিকা ইসলামকে হংকংভিত্তিক ‘চায়না সুপ্রিম লিমিটেড’-এর প্রকৃত সুবিধাভোগী মালিক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির দ্য ব্যাংক অব ইস্ট এশিয়া লিমিটেডে একটি সক্রিয় ব্যাংক হিসাব রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি ছাড়া বিদেশে অর্থ নেওয়া এবং বিদেশে অর্জিত সম্পদের তথ্য আয়কর রিটার্নে গোপন করার অভিযোগও রয়েছে।
অবৈধভাবে অর্জিত অর্থের মাধ্যমে হংকংয়ে সম্পদ কেনা হয়েছে এবং এসব সম্পদ সরিয়ে ফেলার আশঙ্কা রয়েছে উল্লেখ করে দুদক ‘চায়না সুপ্রিম লিমিটেড’-এর ব্যাংক হিসাব ও কোম্পানিটির নামে থাকা স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ জব্দ, ফ্রিজ বা ব্লক করার আবেদন করে।
দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত আজ এ আদেশ দেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন