প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের দুর্গাপূজার নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করার উদ্দেশ্যে এবং দায়িত্ব পালনরত সদস্যদের কার্যক্রম তদারক করতে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ রাজধানীর ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন।
তিনি সোমবার বিকেলে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। এ সময় উপস্থিত সবাইকে শুভেচ্ছা জানান এবং শুভেচ্ছা উপহার দেন। পূজা উদযাপন কমিটির পক্ষ থেকে তাঁকে উত্তরীয় পরিয়ে স্বাগত জানানো হয়।
পরিদর্শনের সময় মহাপরিচালক পূজামণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি, দায়িত্ব পালনরত আনসার-ভিডিপি সদস্যদের কার্যক্রম এবং পূজা উদযাপন কমিটির সঙ্গে সমন্বিত নিরাপত্তাব্যবস্থা পর্যালোচনা করেন।
মহাপরিচালক বলেন, দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আনসার-ভিডিপি সদস্যরা সরাসরি ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করছেন। পূজা উদযাপন কমিটি ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে পূজামণ্ডপকেন্দ্রিক যেকোনো বিশৃঙ্খলা ও সমস্যা তাৎক্ষণিকভাবে সমাধান করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, এবারের পূজায় পূজামণ্ডপগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরার ব্যবহার বৃদ্ধি এবং ‘শারদীয় সুরক্ষা অ্যাপস’-এর মাধ্যমে সমন্বিত ও তাৎক্ষণিক সাড়াদান কার্যক্রম সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করেছে।
মহাপরিচালক আরও উল্লেখ করেন, ব্যক্তিগত উদ্যোগে নিজস্ব প্রাঙ্গণে আয়োজিত পূজামণ্ডপগুলোও আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর নিজস্ব মনিটরিং টিমের নিবিড় তদারকির আওতায় রয়েছে। এর মাধ্যমে সব পর্যায়ের পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখা হচ্ছে।
দায়িত্ব পালনরত সদস্যদের পেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ বজায় রাখার নির্দেশনা দেন মহাপরিচালক। তিনি উল্লেখ করেন, কোনো ধরনের উসকানি, গুজব বা অপপ্রচারের মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির সুযোগ দেওয়া হবে না। অনাকাঙ্ক্ষিত যেকোনো ঘটনায় দ্রুত ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
নিরাপত্তার পাশাপাশি মানবিক সেবায়ও আনসার-ভিডিপি সদস্যরা ভূমিকা রাখছেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। পূজামণ্ডপে হারিয়ে যাওয়া শিশুদের উদ্ধার করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া, বয়স্ক দর্শনার্থীদের সহযোগিতা, শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং বিভিন্ন ধরনের বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধে তাঁরা সক্রিয় রয়েছেন।
এছাড়া কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা, নারী উত্ত্যক্তকারীদের প্রতিহত করা এবং সন্দেহজনক ব্যক্তিদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণসহ সম্ভাব্য নিরাপত্তাঝুঁকি মোকাবিলায় দায়িত্ব পালন করছেন বাহিনীর সদস্যরা।
ধর্মীয় সম্প্রীতি, জননিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন