প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
তুরস্কের একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে গোলাগুলির একটি ঘটনা ঘটেছে, যাতে অন্তত ১১ জন আহত হয়েছে। এই ঘটনার সাথে জড়িত ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরকে আটক করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে, দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় মানিসা প্রদেশের ইনচি উজমেজ ভোকেশনাল অ্যান্ড টেকনিক্যাল আনাতোলিয়ান হাই স্কুলের বাইরে এই গোলাগুলি ঘটে। এক বন্দুকধারী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়, এবং আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।
তুরস্কের আইনমন্ত্রী আকিন গুরলেক জানিয়েছেন, সন্দেহভাজন কিশোরের মা, বাবা এবং দাদাকেও আটক করা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, সন্দেহভাজন কিশোরটি একটি ফাঁকা রাস্তায় হাঁটার সময় শটগান পরীক্ষা করছে। পরবর্তী ফুটেজে তাকে হাতে অস্ত্র নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে দৌড়ে পালাতে দেখা যায়। জানা গেছে, সে ওই স্কুলের শিক্ষার্থী।
এ বছর তুরস্কে এটি তৃতীয়বারের মতো স্কুলে গোলাগুলির ঘটনা ঘটলো। সাম্প্রতিক সময়ে সহিংসতা মোকাবেলায় সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের মধ্যে নতুন করে এই ঘটনা ঘটেছে। তবে গোলাগুলির কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি এবং তদন্ত চলছে।
দেশটির আইন অনুযায়ী, ১৫ বছর বয়সী কিশোরটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার দেখানোর আগে আদালতে হাজির করতে হবে। তুরস্কের শিক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই ঘটনায় পুরো দেশ এবং বিশেষ করে শিক্ষাঙ্গনের মানুষ গভীরভাবে মর্মাহত হয়েছে। ঘটনার তদন্তে মন্ত্রণালয়ের তিনজন জাতীয় তদন্তকারীকে মানিসা প্রদেশে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে, এপ্রিল মাসে তুরস্কে দুটি প্রাণঘাতী স্কুলে গোলাগুলির ঘটনা ব্যাপক ক্ষোভের সঞ্চার করে। এসব ঘটনার পর ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে স্কুলের নিরাপত্তা জোরদার এবং অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আরো কঠোর করার মতো নতুন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়।
এখন পর্যন্ত, তুরস্কে স্কুলে গোলাগুলির ঘটনা সাধারণত দেখা যেত না। এপ্রিলের একটি হামলায় কাহরামানমারাশে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোর গুলি চালিয়ে ১০ ও ১১ বছর বয়সী নয় শিক্ষার্থী এবং এক শিক্ষককে হত্যা করে। পরে হামলাকারী ঘটনাস্থলেই মারা যায়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন