প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভিয়েতনাম ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে আলোচনা ইতিবাচকভাবে অগ্রসর হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট তো লাম। তিনি উল্লেখ করেছেন, শিগগিরই দুই দেশের মধ্যে এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হতে পারে। মঙ্গলবার ভিয়েতনাম সরকার এক বিবৃতিতে এই তথ্য প্রকাশ করেছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানা যায়, নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ারের সঙ্গে বৈঠক শেষে তো লাম এই মন্তব্য করেন। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশগ্রহণের জন্য তিনি বর্তমানে নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন। বৈঠকে তো লাম দুই দেশের মধ্যে যেসব বাণিজ্য বিষয় এখনও অমীমাংসিত রয়েছে, সেগুলো দ্রুত সমাধানের জন্য একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান। এসব বিষয়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ৩০১ ধারার তদন্তসংক্রান্ত বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ভিয়েতনাম সরকারের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, একটি বাণিজ্যচুক্তি হলে দুই দেশের অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক ও বিনিয়োগ সম্পর্কের জন্য একটি স্থিতিশীল ও দীর্ঘমেয়াদি কাঠামো গড়ে উঠবে। এতে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্পর্ক আরো সুসংগঠিত করার সুযোগ সৃষ্টি হবে।
আরো পড়ুন
জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী।
ভিয়েতনাম একটি রপ্তানিনির্ভর দেশ হিসেবে পরিচিত। দেশটির সবচেয়ে বড় রপ্তানি বাজার হলো যুক্তরাষ্ট্র। তাই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্ক ভিয়েতনামের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বৈঠকে তো লাম জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভিয়েতনামের বাণিজ্য উদ্বৃত্ত কমানোর জন্য তার দেশ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং দেশটি থেকে আরও বেশি পণ্য ক্রয়ের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও তিনি উল্লেখ করেন। বৈঠকের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ারের বক্তব্যও ভিয়েতনাম সরকার তুলে ধরেছে। গ্রিয়ারের মতে, দুই দেশের আলোচনাকারীরা চুক্তি নিয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে কাজ করেছেন। আলোচনায় বড় ধরনের অগ্রগতি সাধিত হয়েছে এবং এখন তা চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কাছাকাছি পৌঁছেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন