প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার টিকিকাটা ইউনিয়ন পরিষদের নিকট প্রশাসক নজরুল ইসলাম এবং ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসনিক কর্মকর্তা আশুতোষ হালদারের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে অভিযোগগুলো ছড়ানো হয়েছে, সেগুলোকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলছে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত সদস্যরা। গতকাল বুধবার রাত ৮টায় অনুষ্ঠিত টিকিকাটা ইউনিয়নের নির্বাচিত ইউপি সদস্যদের আয়োজনে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এই প্রতিবাদ জানানো হয়, যা লিখিত বক্তব্যের মাধ্যমে জানানো হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে ইউপি সদস্য জসীম মাতুব্বর উল্লেখ করেন, ইউনিয়ন পরিষদের সমস্ত উন্নয়নমূলক প্রকল্প সম্পূর্ণ নিয়ম অনুসরণ করে পরিষদের রেজুলেশনের মাধ্যমে বিতরণ করা হয়। এখানে কোনো একক সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ নেই। তারা পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দরিদ্রদের জন্য ভিজিএফের চাল ও মৎস্য খাতের চাল বিতরণের বিষয়ে বলেন, পিরোজপুর-০৩ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্যের প্রতিনিধি, মৎস্য দপ্তরের কর্মকর্তাসহ সকল ইউপি সদস্যদের উপস্থিতিতে সভা করে সঠিক নিয়মে এই চাল বিতরণ করা হয়েছে।
ইউনিয়ন পরিষদের খাদ্য গুদামে চাল মজুত রাখার বিষয়ে ব্যাখ্যা প্রদান করে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গুদামে অতি সামান্য পরিমাণ চাল অবশিষ্ট ছিল। দূরবর্তী এলাকা থেকে যেসকল মৎস্যজীবী ও কার্ডধারী উপকারভোগী সময়মতো উপস্থিত হতে পারেননি, সেই চাল মূলত তাদের জন্য সংরক্ষিত ছিল। পরবর্তী সময়ে সেই চালও প্রকৃত কার্ডধারীদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। এখানে কোনো ধরনের অনিয়ম বা আত্মসাতের ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে ৫নং ওয়ার্ডের সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান মো. আসাদুন নবী রাজীবের আনা অভিযোগগুলোকে সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উল্লেখ করা হযেছে। ইউপি সদস্যরা অভিযোগ করেন, আসাদুন নবী রাজীব অন্যান্য সদস্যদের তুলনায় বেশি সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছেন, সত্ত্বেও অনৈতিক সুবিধা না পেয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে প্রশাসক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই অপপ্রচার চালাচ্ছেন।
রাজীবের 'কোনো কাজ না পাওয়ার' অভিযোগকে নাকচ করে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয় যে, প্যানেল চেয়ারম্যান হিসেবে ১২ জন ইউপি সদস্যের মধ্যে তিনিই সবচেয়ে বেশি কাজ এবং সুবিধা পেয়েছেন। রাজীব ব্যক্তিগতভাবে ১২ লক্ষ ৩০ হাজার টাকার উন্নয়ন প্রকল্প এবং ১৩.৯ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ পেয়েছেন।
ইউপি সদস্যরা দাবি করে বলেন, ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল করতে না পেরে এবং ইউনিয়ন পরিষদের সুনাম ক্ষুণ্ণ করতেই এ ধরনের মিথ্যা অভিযোগ তোলা হচ্ছে, এবং তারা এর জন্য তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ করছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন