বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:৪২ পি.এম
ঢাকা, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশের অর্থনীতিকে আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে তুলনীয় ও প্রতিযোগিতামূলক করে তোলার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বৈশ্বিক বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য এই উদ্যোগকে অপরিহার্য মনে করেন।
মন্ত্রী বিনিয়োগ পরিবেশের উন্নয়নে নীতির স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা, সরবরাহ ব্যয় কমানো, কাস্টমস ব্যবস্থার অটোমেশন এবং ব্যবসা শুরুর প্রক্রিয়াকে সহজ করার ওপর জোর দিয়েছেন।
আজ বৃহস্পতিবার হংকংয়ে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের আয়োজনে ‘বাংলাদেশে বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও বিনিয়োগের সম্ভাবনা’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এসব কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন, তথ্যপ্রযুক্তির কারণে একজন বিনিয়োগকারী এখন বিশ্বের যেকোনো দেশের ব্যবসা ও বিনিয়োগ পরিবেশ সহজেই যাচাই করতে সক্ষম। এর ফলে, বিনিয়োগ আকর্ষণের প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে অন্যান্য দেশের সঙ্গে ব্যবসায়িক পরিবেশ, নীতি ও সক্ষমতার তুলনীয় মান তৈরি করা আবশ্যক।
তিনি আরও বলেন, ২০২৯ সালে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের পর বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সুবিধা ধরে রাখতে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি সম্পাদনের কাজ চলছে। ইতোমধ্যে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার বাজারে বাংলাদেশের প্রায় ৯৭ শতাংশ পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া, আরও প্রায় ১৩টি দেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলমান রয়েছে।
মন্ত্রী জানান, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির আলোচনা শিগগিরই শুরু হবে। এলডিসি উত্তরণের আগেই এ বিষয়ে সমঝোতায় পৌঁছানোর আশা করছে বাংলাদেশ। যদি তা সম্ভব না হয়, তবে অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তির মাধ্যমে বর্তমান বাজার সুবিধা অব্যাহত রাখার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
বিনিয়োগ পরিবেশের বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে বাংলাদেশের উচ্চ সরবরাহ ব্যয়ের কথা তুলে ধরেন খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, দেশে সরবরাহ ব্যবস্থার ব্যয় মোট দেশজ উৎপাদনের প্রায় ১৬ শতাংশ, যেখানে বৈশ্বিক গড় প্রায় ১০ শতাংশ। পরিবহন, উৎপাদন এবং আমদানি-রফতানি ব্যয় কমিয়ে এই ব্যবধান কমানোর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
মন্ত্রী চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে আন্তর্জাতিক অপারেটরদের সম্পৃক্ততা এবং মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এসব অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে পণ্য পরিবহন ও বন্দর ব্যবস্থাপনার ব্যয় কমবে।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বিনিয়োগকারীদের আস্থা তৈরিতে নীতির ধারাবাহিকতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। বিনিয়োগ দীর্ঘমেয়াদি সিদ্ধান্ত, তাই কোনো নীতি প্রণয়নের পর অল্প সময়ের মধ্যে তা পরিবর্তন করা হলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়। নীতিতে পরিবর্তন প্রয়োজন হলে তা নতুন বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কার্যকর করা উচিত, যাতে বিনিয়োগকারীরা সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় পুরো পরিস্থিতি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পান।
সেমিনারে বাংলাদেশে নতুন বিনিয়োগের সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের কথাও তুলে ধরেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, বিশ্বের প্রায় ৯০ শতাংশ জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ বাংলাদেশ ও ভারত করে। উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে এ খাতে আরও বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, ব্যবসায়িক পরিবেশের দুর্বলতা কাটিয়ে বাংলাদেশকে বিনিয়োগের জন্য আরও প্রতিযোগিতামূলক করে তোলার বিষয়টি সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। এজন্য অবকাঠামো, নীতি, কাস্টমস ও ব্যবসায়িক প্রক্রিয়ায় ধারাবাহিক সংস্কার করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লালমনিরহাট, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : তিস্তাপাড়ের হতদরিদ্র বিধবা ও স্বামী পরিত্যক্তা নারীদের স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে দর্জি প্রশিক্ষণের পর বিনামূল্যে সেলাই মেশিন বিতরণ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে হাতীবান্ধা উপজেলার গড্ডিমারী ইউনিয়নের দোয়ানী উচ্চ বিদ্যালয়ের হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিজিবির রংপুর রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এএসএম নাছের প্রশিক্ষিত ১৫ জন নারীর হাতে সেলাই মেশিন তুলে দেন।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, তিস্তা নদীর ভাঙন ও ভাঙনজনিত নানা সংকটের কারণে তিস্তাপাড়ের মানুষের জীবন-জীবিকা দীর্ঘদিন ধরে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। এসব পরিবারের অনেক নারী কর্মসংস্থানের সুযোগ না থাকায় পুরুষের আয়ের ওপর নির্ভরশীল হয়ে থাকেন। বিশেষ করে বিধবা ও স্বামী পরিত্যক্তা নারীদের সংসারে অর্থনৈতিক সংকট আরও প্রকট হয়ে উঠেছে। অর্থের অভাবে এসব পরিবারের সন্তানদের লেখাপড়া ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি শিশুশ্রমে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকিও রয়েছে।
শিশুশ্রম রোধ এবং অসহায় নারীদের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করার উদ্দেশ্যে বিজিবি দর্জি প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু করে। এই কার্যক্রমের আওতায় তিস্তাপাড়ের নির্বাচিত নারীদের প্রথমে দুই সপ্তাহের দর্জি প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। প্রশিক্ষণ শেষে প্রত্যেকের হাতে একটি করে সেলাই মেশিন তুলে দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিজিবির রংপুর রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এএসএম নাছের প্রশিক্ষিত ১৫ জন বিধবা ও স্বামী পরিত্যক্তা নারীর হাতে সেলাই মেশিন তুলে দেন।
এ সময় তিস্তা ব্যাটালিয়নের (৬১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সৈয়দ ফজলে মুনীম, সহকারী পরিচালক আবদুর রাজ্জাকসহ বিজিবির বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ ও সেলাই মেশিন পেয়ে আবেগাপ্লুত রুমী আক্তার বলেন, "দুই মাস আগে রাজমিস্ত্রি স্বামী বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান। দুই মেয়েকে নিয়ে সংসার প্রায় নিভে যেতে বসেছিল। সন্তানদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার অন্ধকারে ঢেকে যায়। এমন সময় বিজিবি আমাকে দর্জি প্রশিক্ষণ দিয়ে একটি সেলাই মেশিন দিয়েছে। আজ থেকে বেঁচে থাকার নতুন সংগ্রাম শুরু হলো। সন্তানদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করতে এবং সংসার সচল রাখতে এই সেলাই মেশিন আমার পাথেয় হয়ে থাকবে।"
এ জন্য তিনি বিজিবির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিজিবির রংপুর রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এএসএম নাছের বলেন, "আমরা অসহায় নারীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদের মধ্যে সেলাই মেশিন বিতরণ করেছি। আমাদের এই কাজ তখনই সফল হবে, যখন তারা সেলাই মেশিন ব্যবহার করে জীবিকা নির্বাহ করতে পারবেন।"
সুফলভোগী নারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, "আপনারা যদি এই কাজকে পেশা হিসেবে নেন, তাহলে আমাদের উদ্যোগ সফল হবে। ভবিষ্যতে অসহায় মানুষের জন্য আরও ভালো কিছু করার চেষ্টা করব। তাই সেলাই মেশিনগুলো ফেলে না রেখে এগুলো কাজে লাগিয়ে নিজেদের জীবিকার পথ তৈরি করবেন।"
অনুষ্ঠানে বিজিবির কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক ও উপকারভোগী নারীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাগুরা, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জেলার অসহায়, দুস্থ এবং সুবিধাবঞ্চিত জনগণের জন্য আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্দেশ্যে সেলাই মেশিন এবং নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার মাগুরা সদর উপজেলার চাউলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে বিশ্ব মানবাধিকার ফাউন্ডেশন জেলা শাখার উদ্যোগে এই সহায়তা প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাগুরা পৌর বিএনপির সভাপতি মো. মাসুদ হাসান খান কিজিল।
বিশ্ব মানবাধিকার ফাউন্ডেশন মাগুরা জেলা শাখার সভাপতি সালমা খাতুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক এবং বর্তমান জেলা বিএনপির সদস্য মো. কুতুবউদ্দীন, পাশাপাশি চাউলিয়া ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান হাসিনা খাতুনও ছিলেন।
অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে ৩১ জন দুস্থ ও অসহায় নারীর মাঝে জীবিকা নির্বাহের জন্য একটি করে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়। এছাড়া, ৪৮ জনের প্রত্যেককে ১ হাজার ৫০০ টাকা করে নগদ আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।
বিতরণ অনুষ্ঠানে আয়োজকরা উল্লেখ করেন, এই সহায়তা সুবিধাবঞ্চিত জনগণের স্বাবলম্বী হয়ে ওঠার পথকে সহজ করবে এবং তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফেনী, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ভ্রাম্যমাণ আদালত গতকাল অভিযান পরিচালনা করে ১০৫ কেজি জেলি মিশ্রিত চিংড়ি জব্দ করেছে এবং তিন ব্যবসায়ীকে ৯০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে ফেনী সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফাহমিদা আক্তার এই রায় প্রদান করেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, জেলা মৎস্য অধিদপ্তরের গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর জেলি মিশ্রিত চিংড়ি বিক্রির খবর পেয়ে ফেনী সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ফাহমিদা আক্তারের নেতৃত্বে ফেনী পৌর মৎস্য আড়তে অভিযান চালানো হয়।
অভিযানের সময় আল্লাহর দান ফিশিং থেকে ৫৬ কেজি, এরফান ফিশিং থেকে ২৪ কেজি এবং বেলাল ফিশিং থেকে ২৫ কেজি জেলি মিশ্রিত চিংড়ি জব্দ করা হয়।
এ সময় আল্লাহর দান ফিশিংকে ৫০ হাজার, বেলাল ফিশিংকে ২০ হাজার এবং এরফান ফিশিংকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
অভিযানে সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সৈয়দ মোস্তফা জামান, ফেনী সদর উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা মো. মিরাজুল ইসলামসহ ব্যাটালিয়ন আনসার সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সৈয়দ মোস্তফা জামান বাসসকে জানান, জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। জব্দকৃত চিংড়ি কেরোসিন তেল দিয়ে মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুর, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : সদর উপজেলাকে শিশু শ্রম নিরসন ও ঝরে পড়া শিশু মুক্ত উপজেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে, যা শিশুশ্রমের অবসান এবং ঝরে পড়া শিশুদের পুনরায় শিক্ষার মূলধারায় ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার, পিরোজপুর সদর উপজেলার শহীদ ওমর ফারুক সম্মেলন কক্ষে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের আয়োজনের একটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ এই ঘোষণা প্রদান করেন।
পিরোজপুর জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় এবং পিরোজপুর এরিয়া ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এই শিশুশ্রম নিরসন ও ঝরে পড়া শিশু মুক্ত অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ, পিরোজপুরের এরিয়া ম্যানেজার লিন্ডা দফো।
বক্তারা অনুষ্ঠানে শিশুশ্রম নিরসন, ঝরে পড়া শিশুদের বিদ্যালয়ে ফিরিয়ে আনা এবং তাদের শিক্ষা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার বিষয়গুলোতে গুরুত্বারোপ করেন। বক্তারা শিশুদের অধিকার রক্ষা এবং তাদের জন্য নিরাপদ, সুন্দর ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষক, অভিভাবক ও সমাজের সকলের সম্মিলিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন।
ঝরে পড়া শিশু মুক্ত উপজেলা ঘোষণা কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার বাইরে থাকা শিশুদের বিদ্যালয়মুখী করার জন্য গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগ ও অর্জনও অনুষ্ঠানে তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের প্রতিনিধিবৃন্দ, শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থী, সংশ্লিষ্ট অংশীজন এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ