প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
১৯ বছর বয়সী উইঙ্গার দিয়োমান্দে, ইউরোপের গ্রীষ্মকালীন দলবদলের অন্যতম আলোচিত নাম হিসেবে উঠে এসেছেন। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম এএস–এর মতে, আরবি লাইপজিগের এই তরুণ প্রতিভাকে দলে ভিড়ানোর জন্য রিয়াল মাদ্রিদ খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। যদি সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী হয়, তাহলে ১১৫ থেকে ১২০ মিলিয়ন ইউরো ট্রান্সফার ফিতে এই চুক্তি সম্পন্ন হতে পারে, যা রিয়ালের ইতিহাসের অন্যতম ব্যয়বহুল সাইনিং হিসেবে পরিচিত হতে যাচ্ছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, রিয়াল দীর্ঘদিন ধরেই দিয়োমান্দেকে দলে নেওয়ার পরিকল্পনা করছিল। তবে, গত সপ্তাহে দুই ক্লাবের প্রতিনিধিদের মধ্যে সরাসরি বৈঠকের পর আলোচনা নতুন গতি পায়। এর আগে, খেলোয়াড়ের ব্যক্তিগত সম্মতি নিশ্চয়তা পেয়েছে স্প্যানিশ জায়ান্টরা।
দিয়োমান্দে, মাত্র দুই মৌসুমে লেগানেস এবং পরে আরবি লাইপজিগের হয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে ইউরোপের বড় ক্লাবগুলোর নজরে আসেন। গত মৌসুমে, বুন্দেসলিগার অন্যতম সেরা পারফরমার হিসেবে তার নাম আলোচনায় ছিল মাইকেল অলিসের সঙ্গে।
রিয়াল মাদ্রিদ এই ট্রান্সফারে অনেকটা চেলসির মার্ক কুকুরেয়াকে দলে ভিড়ানোর কৌশল অনুসরণ করেছে। অন্যান্য ক্লাব যখন আগ্রহ প্রকাশেই সীমাবদ্ধ ছিল, তখন রিয়াল সরাসরি লাইপজিগের সঙ্গে আলোচনায় বসে চুক্তির কাজ অনেক দূর এগিয়ে নিয়েছে।
বিশ্বকাপ চলাকালীন সময়ে ধারণা করা হচ্ছিল, দিয়োমান্দের পরবর্তী গন্তব্য হতে পারে প্যারিস সেইন্ট-জার্মেইন (পিএসজি)। তবে, নীরবে আলোচনার মাধ্যমে শেষ পর্যন্ত রিয়াল মাদ্রিদই তাকে তাদের প্রধান লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারণ করে।
এদিকে, খেলোয়াড়ের বেতনও রিয়ালের বিদ্যমান বেতন কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়ায় আলোচনায় বড় কোনো জটিলতা তৈরি হয়নি। ফলে, চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার সম্ভাবনা আরও জোরালো হয়েছে।
দিয়োমান্দের সম্ভাব্য আগমন রিয়ালের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় প্রভাব ফেলতে পারে। এর ফলে মাইকেল অলিসেকে ঘিরে ক্লাবটির আগ্রহের গুঞ্জন কার্যত শেষ হয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের ভবিষ্যৎ এবং তার চুক্তি নবায়ন নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
যদি এই ট্রান্সফার সম্পন্ন হয়, তাহলে রিয়ালের আক্রমণভাগে প্রতিযোগিতা আরও তীব্র হবে। ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, ফ্রাঙ্কো মাস্তানতুয়োনো, গনসালো এবং ব্রাহিম দিয়াজের মতো ফুটবলারদের নিয়মিত একাদশে জায়গা ধরে রাখতে বাড়তি লড়াই করতে হবে। ফলে, নতুন মৌসুমে রিয়াল মাদ্রিদের আক্রমণভাগ আরও শক্তিশালী এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়ে উঠবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন