প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বঙ্গোপসাগরে জালে আটকা পড়া ২২ কেজি ওজনের ধাতিনা ভোল মাছটিকে বাগেরহাটে ৩ লাখ ৫৫ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে। এই মাছটির প্রতি কেজির মূল্য যথাক্রমে ১৬ হাজার ১৩৬ টাকা।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকালে, বাগেরহাটের মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের মিরাজ হাওলদার আড়তে এই মাছটি বিক্রি হয়, এবং মাছ ব্যবসায়ী হারুন মীর এটি কিনে নেন।
গত ১১ আগস্ট, ২২ কেজি ওজনের ধাতিনা ভোল মাছটি ধরা পড়ে বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার বগা গ্রামের ইলিয়াছ হোসেনের মাছ ধরা ট্রলারে।
ইলিশ মাছ ধরা ‘এফবি মায়ের দোয়া’ ট্রলারের মালিক ও মাঝি ইলিয়াছ হোসেন জানান, ‘সাগরের আবহাওয়া খারাপ থাকার কারণে ইলিশ জালে ধরা পড়ছে না। তাই বাড়ি ফেরার সময়ে শেষ মুহূর্তে সাগরে জাল ফেলা হয়। রাতে জাল টানার সময় আমি ধাতিনা ভোল মাছটি পেয়েছি এবং খুব খুশি হয়েছি। এই মাছটির দাম অনেক।’
ভোল মাছের ক্রেতা হারুন মীর বলেন, ‘ধাতিনা ভোল মাছের মণ দাম ৬ লাখ টাকা। সেই অনুযায়ী, ২২ কেজি ওজনের এই মাছটি আমি ৩ লাখ ৫৫ হাজার টাকায় কিনেছি। এখন এই মাছটি বরফ দিয়ে বড় মোকামে নিয়ে যাওয়া হবে, এবং সেখান থেকে চট্টগ্রামে পাঠানো হবে। আশা করি, আমি ৫০ হাজার টাকা লাভ করতে পারবো।’
উপকূলীয় মৎস্য সমবায় সমিতির সভাপতি ইদ্রিস আলী বলেন, ‘কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ছোট ছোট জাল নিয়ে সাগরে যাওয়ার কারণে এই মাছটি ছোট অবস্থায় ধরা পড়ে। অনেক বছর পর ২২ কেজির ধাতিনা ভোল মাছ ধরা পড়েছে। এটি প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকায় বিক্রি হয়েছে এবং এ মাছ পাওয়ায় আমরা খুব আনন্দিত।’
মাছ ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, চীন, থাইল্যান্ডসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে মাছের পটকার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। মাছটির বিশাল মুল্যের কারণে স্থানীয় জেলেদের মুখে ফুটেছে আনন্দের হাসি। স্থানীয়দের মতে, বঙ্গোপসাগর ও উপকূলীয় নদীগুলোতে মাঝে মাঝে এমন বিরল মাছ জেলেদের জালে ধরা পড়ে, যা এক রাতেই তাদের ভাগ্য পরিবর্তন করে দিতে পারে।
মাছের পটকা আন্তর্জাতিক বাজারে চিকিৎসা ক্ষেত্রে ব্যবহৃত বিশেষ সুতা (Surgical Thread) এবং প্রসাধনী প্রস্তুতির জন্য চড়া দামে বিক্রি হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন