প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দখলদার ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণাধীন ফিলিস্তিনের গাজার বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক পরিমাণ ধ্বংসস্তূপ অপসারণের প্রক্রিয়ার আড়ালে সংঘটিত ‘নৃশংস অপরাধের’ প্রমাণ মুছে ফেলার সম্ভাবনা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘের একজন শীর্ষ বিশেষজ্ঞ। একই সঙ্গে, এই কার্যক্রমের ফলে ধ্বংসাবশেষের নিচে চাপা পড়া বহু ফিলিস্তিনির মানব দেহাবশেষ উদ্ধার ও শনাক্তকরণের কাজ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে বলে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
সোমবার কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল-জাজিরা এক প্রতিবেদনে এই তথ্য তুলে ধরেছে।
ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড বিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ র্যাপোর্টিয়ার ফ্রান্সেসকা আলবানিজ গাজা উপত্যকায় চলমান ‘ধ্বংসস্তূপ অপসারণ, গুঁড়িয়ে দেওয়া এবং স্থানান্তরের’ প্রক্রিয়ার তীব্র সমালোচনা করেন।
তিনি উল্লেখ করেন, ‘গাজার এই বিশাল ধ্বংসস্তূপের নিচে কেবল ইট-পাথর নয়, বরং গণহত্যাসহ অন্যান্য গুরুতর আন্তর্জাতিক অপরাধের নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ভৌত আলামত ও মানব দেহাবশেষ চাপা পড়েছে।’
জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞ ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক তথ্যের ভিত্তিতে জানান, গাজাজুড়ে আনুমানিক ১০ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনির মরদেহ এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে নিখোঁজ ও চাপা পড়ে রয়েছে। তাদের উদ্ধার না করে দ্রুত ধ্বংসস্তূপ অপসারণ মানবিক ও আইনি উভয় দিক থেকেই একটি গুরুতর অপরাধের সৃষ্টি করছে।
আলবানিজ স্পষ্টভাবে বলেন, ‘গাজার প্রতিটি ধ্বংসস্তূপ একটি অপরাধস্থল (ক্রাইম সিন), একটি গণকবর এবং দীর্ঘ দুই বছর ধরে চলা এক নির্মম ও নিরর্থক বোমাবর্ষণের ঘটনার বস্তুগত দলিল।’
তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ তদন্তকারীদের উপস্থিতিতে প্রমাণ সংগ্রহের প্রক্রিয়া তদারকি করার জন্য বৈশ্বিক সম্প্রদায়ের প্রতি জোরালো আহ্বান জানান, যাতে আলামত নষ্ট হওয়া রোধ করা যায় এবং সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।
সূত্র: আল-জাজিরা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন