প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচের আগে ইন্দোনেশিয়ার কোচ জন হার্ডম্যান শমিত শোমকে নিয়ে নিজের পরিচয়ের বিষয়টি তুলে ধরেছেন। তিনি জানিয়েছেন, কানাডিয়ান এই মিডফিল্ডারকে তিনি দীর্ঘ সময় ধরে চেনেন এবং তাঁর সামর্থ্যের প্রশংসাও করেছেন হার্ডম্যান।
ফিফা আসিয়ান কাপ ২০২৬-এ বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়া ম্যাচের প্রেক্ষিতে সংবাদ সম্মেলনে শোমকে নিয়ে মন্তব্য করেন হার্ডম্যান। তাঁর সঙ্গে শোমের পরিচয় নতুন নয়, কারণ কানাডা জাতীয় দলের বিভিন্ন ক্যাম্পে শোমকে তিনি পেয়েছেন।
হার্ডম্যান বলেন, “আমি তাকে খুব ভালোভাবে চিনি। খুব ভালোভাবেই। আমি তাকে বেশ কয়েকটি ট্রেনিং ক্যাম্পে এনেছি। দিদিয়ের দ্রগবার সময় এমএলএসে খুব সফল মন্ট্রিয়ল ইমপ্যাক্ট দলের অংশ ছিল সে। তাই সে একজন শীর্ষ মানের খেলোয়াড়।”
মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) দ্রগবার মতো তারকার সঙ্গে খেলার অভিজ্ঞতা শোমের ক্যারিয়ারের অন্যতম উল্লেখযোগ্য অধ্যায়। হার্ডম্যানের মতে, এই অভিজ্ঞতা তাঁর পেশাদার মানের একটি বড় প্রমাণ।
শোমকে আরও কাছ থেকে চেনার একটি কারণ রয়েছে হার্ডম্যানের। কানাডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব ক্যালগারি এফসিতে তাঁর ছেলে জে হার্ডম্যানের সতীর্থ ছিলেন শোম। ফলে জাতীয় দলের পাশাপাশি ক্লাব ফুটবলেও শোমকে কাছ থেকে দেখার সুযোগ হয়েছে হার্ডম্যানের।
হার্ডম্যান যোগ করেন, “সে ক্যালগারিতে আমার ছেলের সঙ্গেও খেলেছে।”
বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচে শোমের অভিজ্ঞতা ও মান ইন্দোনেশিয়ার জন্য বাড়তি নজরের বিষয় হতে পারে। হার্ডম্যানের বক্তব্যে স্পষ্ট, বাংলাদেশের এই মিডফিল্ডারকে তিনি শুধুমাত্র প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখছেন না, বরং দীর্ঘদিনের পরিচিত একজন ফুটবলার হিসেবে তাঁর সামর্থ্য সম্পর্কে একটি ভালো ধারণা রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন