প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আসন্ন নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে ইরানে নতুন একটি বড় ধরনের সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে দুই মার্কিন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অবগত কিছু সূত্রের উদ্ধৃতি দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ট্রাম্পের প্রকাশ্যে দেওয়া এমন বক্তব্যের আগে ইরানে হামলা নিয়ে আলোচনা হয়েছিল, যেখানে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানে হামলা চালানোর পরিকল্পনা নেই।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, নেতানিয়াহু ট্রাম্পকে ইসরায়েলি গোয়েন্দাদের মাধ্যমে এমন তথ্য জানান যে, ইরান তার পারমাণবিক কর্মসূচি পুনর্গঠনের চেষ্টা করছে। এ বিষয়ে আলোচনা হয়, ইরান কি ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের জন্য পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন স্থাপনাটি ব্যবহার করছে কিনা, সে বিষয়টিও উঠে আসে।
তবে হোয়াইট হাউসের একজন কর্মকর্তা দাবি করেছেন, দুই নেতার মধ্যে যুদ্ধ পুনরায় শুরুর বিষয়ে আলোচনা হওয়ার খবরটি ‘মিথ্যা’। তার বক্তব্য অনুযায়ী, নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে হামলা চালানোর পরিকল্পনা থেকে ট্রাম্প সরে এসেছেন।
সূত্রগুলোর বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী এখনো সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। ট্রাম্প যদি অবস্থান পরিবর্তন করেন, তাহলে দ্রুত অভিযান চালানোর জন্য প্রস্তুতিও চূড়ান্ত করা হচ্ছে। এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এ বিষয়ে ট্রাম্প এখনো স্পষ্ট কোনো প্রতিশ্রুতি দেননি, তবে নেতানিয়াহুকে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ইরানে নতুন হামলা চালানোর পক্ষে সবচেয়ে জোরালো অবস্থান নিয়েছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এবং যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের নেতৃত্ব। অন্যদিকে, ট্রাম্পের অধিকাংশ উপদেষ্টা নতুন হামলার পরিবর্তে নিষেধাজ্ঞা ও অর্থনৈতিক চাপ অব্যাহত রাখার পক্ষে।
এদিকে, ইসরায়েলের সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ইয়াল জামির মার্কিন জয়েন্ট চিফসের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইনকে জানিয়েছেন, আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হলে ইরানের সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কারণে ইসরায়েলের ২৭ অক্টোবরের নির্বাচন পিছিয়ে দিতে হতে পারে।
প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ পাল্টা প্রস্তাবের বিষয়ে এখনো ইরানের জবাবের অপেক্ষায় রয়েছেন কাতারের মধ্যস্থতাকারীরা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন