প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের পর এবং মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ভঙ্গুর শান্তি আলোচনার মাঝে, এই প্রথমবারের মতো মার্কিন ক্যাবিনেটের উচ্চপর্যায়ের কোনো কর্মকর্তা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এই অঞ্চল সফরে যাচ্ছেন। সোমবার, মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র টমি পিগট এই সফরের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন।
ঘোষণা অনুযায়ী, চলতি সপ্তাহের মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত, মার্কো রুবিও সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত ও বাহরাইন সফর করবেন। মনে রাখতে হবে, যুদ্ধ চলাকালীন এবং এমনকি নামমাত্র যুদ্ধবিরতির সময়েও, ইরান বারবার এই তিনটি দেশে হামলা চালিয়েছে। এসব হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের বেসামরিক অবকাঠামোর পাশাপাশি মার্কিন সম্পদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং ছয়জন মার্কিন সেনাসদস্যসহ বিভিন্ন মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র টমি পিগট এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, সফরকালে রুবিও ইরানের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক, হরমুজ প্রণালিতে নৌযানগুলোর সম্পূর্ণ এবং অবাধ নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা এবং সার্বিকভাবে এই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার গুরুত্বসহ বিভিন্ন আঞ্চলিক অগ্রাধিকারমূলক বিষয়সমূহ নিয়ে আলোচনা করবেন।
সফরের অংশ হিসেবে বাহরাইনে থাকাকালীন, রুবিও উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) প্রতিনিধিদের সঙ্গে যৌথ স্বার্থসংশ্লিষ্ট ও অগ্রাধিকারমূলক বিষয়ে একটি বৈঠকে মিলিত হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানাচ্ছে, ইরানের সঙ্গে হওয়া সমঝোতা চুক্তি বাস্তবায়নে, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা রক্ষায়, জিসিসি অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
একটি আঞ্চলিক সূত্র মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-কে জানায়, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি এবং আঞ্চলিক প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোর প্রতি তাদের সমর্থন মোকাবিলার প্রচেষ্টায় এই বহুপাক্ষিক জোটটি যেন নেতৃত্ব দেয়, ওয়াশিংটন মূলত সেই লক্ষ্যেই কাজ করছে।
সূত্র: সিএনএন
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন