বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:২৭ পি.এম
বাংলাদেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৬ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে, যা একটি উদ্বেগজনক প্রবণতা। বিভিন্ন ধরনের সুবিধা প্রদান করার পরও খেলাপি ঋণের এই বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। গত জুন মাসের শেষে দেশে খেলাপি ঋণের পরিমাণ আবারও ৬ লাখ কোটি টাকার সীমা অতিক্রম করেছে।
গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে প্রথমবারের মতো ব্যাংক খাতের খেলাপি ঋণ ৬ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছেছিল। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, জুন ২০২৬ শেষে ব্যাংক খাতের শ্রেণিকৃত বা খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৬ লাখ ৬ হাজার ৫৫৫ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। এটি ব্যাংকগুলোর মোট বিতরণ করা ঋণের ৩২ দশমিক ৭৮ শতাংশ।
এর আগে মার্চ ২০২৬ শেষে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ৫ লাখ ৮৮ হাজার ৭০৪ কোটি টাকা।
তথ্য অনুযায়ী, ওই সময় মোট বিতরণ করা ঋণের ৩২ দশমিক ২৬ শতাংশ ছিল শ্রেণিকৃত ঋণ। মার্চ থেকে জুন—এই তিন মাসের মধ্যে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ১৭ হাজার ৮৫১ কোটি টাকা। একই সময়ে খেলাপি ঋণের হারও বেড়েছে শূন্য দশমিক ৫২ শতাংশীয় পয়েন্ট।
এদিকে চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ বেড়ে ৪৯ হাজার ৩৩৮ কোটি টাকা হয়েছে।
বছরের শুরুতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ৫ লাখ ৫৭ হাজার ২১৭ কোটি টাকা। ছয় মাসের ব্যবধানে তা বেড়ে ৬ লাখ ৬ হাজার ৫৫৫ কোটি টাকায় পৌঁছেছে।
ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ কমানোর জন্য ঋণ পুনঃতফসিল, পুনর্গঠনসহ বিভিন্ন সুবিধা প্রদান করা হলেও এর ফলাফল কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় দেখা যাচ্ছে না। বরং ঋণ আদায়ে দুর্বলতা এবং নতুন করে ঋণ খেলাপি হওয়ার কারণে সামগ্রিক খেলাপি ঋণের পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
জুন মাস শেষে মোট বিতরণ করা ঋণের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ খেলাপি হওয়ায় ব্যাংক খাতের ঋণের মান নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
যদি খেলাপি ঋণ বৃদ্ধি অব্যাহত থাকে, তাহলে ব্যাংকের আয়, মূলধন এবং সামগ্রিক আর্থিক স্থিতিশীলতার ওপর চাপ সৃষ্টি হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, "জলবায়ুসংকট মোকাবেলায় আজকের পদক্ষেপই আগামীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।" তিনি উল্লেখ করেন, পরিবেশ সুরক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতির সমন্বয়ের মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব অর্থনীতি গড়ে তোলা সম্ভব হলে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা যাবে।
আজ বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও পরিবেশ মেলা ২০২৬-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।
মন্ত্রী বলেন, "একবিংশ শতাব্দীর টেকসই উন্নয়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় পরিবেশবান্ধব অর্থনীতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।" তিনি আরও বলেন, সর্বনিম্ন কার্বন নিঃসরণ, সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার, দূষণমুক্ত উৎপাদন ব্যবস্থা এবং সবুজ কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব।
তিনি সতর্ক করে বলেন, বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, উপকূলীয় এলাকায় লবণাক্ততা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, আকস্মিক বন্যা, অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি, দাবদাহ এবং খরাসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রকোপ ও তীব্রতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বাংলাদেশের মতো উপকূলীয় এবং নিম্নাঞ্চলীয় দেশের জন্য এসব ঝুঁকি গভীর উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
মন্ত্রী জানান, সরকারের পক্ষ থেকে দীর্ঘ মেয়াদে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলার জন্য জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা (ন্যাপ) ২০২৩-২০৫০ প্রণয়ন করা হয়েছে। পাশাপাশি জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান (এনডিসি ৩.০) প্রণয়ন করে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ হ্রাসের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলায় দীর্ঘমেয়াদি স্বল্প-নিঃসরণ উন্নয়ন কৌশল প্রণয়ন এবং আন্তর্জাতিক জলবায়ু অর্থায়ন ও অংশীদারত্ব জোরদারেও সরকার কাজ করছে।
মন্ত্রী বলেন, "টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের সঙ্গে পরিবেশ, প্রতিবেশ, জীববৈচিত্র্য ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়গুলো ওতপ্রোতভাবে জড়িত।" উন্নয়নের প্রতিটি ক্ষেত্রে পরিবেশ সুরক্ষা নিশ্চিত করা আবশ্যক।
তিনি বলেন, সরকারের পাশাপাশি জনগণের সচেতন অংশগ্রহণের মাধ্যমেই একটি সবুজ, নিরাপদ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।
ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা ও মূল্যবোধ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করে পরিবেশমন্ত্রী বলেন, শিশু-কিশোরদের ছোটবেলা থেকেই প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা, পলিথিন ব্যবহার পরিহার, শব্দদূষণ রোধ, বিদ্যুৎ ও পানির সাশ্রয়ী ব্যবহার এবং বৃক্ষ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে সচেতন করে তুলতে হবে।
তিনি বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতার বিজয়ী ও পরিবেশ মেলায় অংশগ্রহণকারী শ্রেষ্ঠ স্টলের পুরস্কারপ্রাপ্তদের অভিনন্দন জানান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানম বলেন, "জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এখন চরম বাস্তব।" সাম্প্রতিক সময়ে নেপালের ঘটনা এই বাস্তবতার বাইরে নয়। বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে গ্লেসিয়ার গলে এই ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশেও ফ্ল্যাশ ফ্লাড বা হঠাৎ বন্যা বেড়ে গেছে। এখন শুধু হাওর বা নিচু অঞ্চলেই বন্যা হচ্ছে না বরং পাহাড়ি অঞ্চলেও হচ্ছে। তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রভাব মোকাবেলায় অভিযোজন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে অগ্রিম সতর্কতা জারি কৃষির ক্ষতি ও স্বাস্থ্য ঝুঁকি কমাতে ইতিবাচক ফল দেবে।
অনুষ্ঠানে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ উপলক্ষে গৃহীত বিভিন্ন কর্মসূচির তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয় এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতার বিজয়ী ও পরিবেশ মেলায় অংশগ্রহণকারী শ্রেষ্ঠ স্টলের মধ্যে পুরস্কার, ক্রেস্ট, সনদ ও প্রাইজমানি বিতরণ করা হয়।
পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. লুৎফর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয় ও পরিবেশ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন প্রতিযোগিতার বিজয়ী ও তাদের অভিভাবকবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক এবং অন্যান্য সুধীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিশোরগঞ্জের ভৈরব পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর, পৌর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ভৈরব চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক পরিচালক আল আমিন সৈকত হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মাহমুদুল হাসানের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। পরে তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) কিশোরগঞ্জের বিজ্ঞ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন মাহমুদুল হাসান। শুনানি শেষে বিজ্ঞ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে জেলহাজতে প্রেরণের আদেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, আল আমিন সৈকত হত্যা মামলায় মাহমুদুল হাসান এজাহারভুক্ত আসামি। মামলার ধারাবাহিকতায় তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন প্রার্থনা করেন। শুনানি শেষে আদালত তার আবেদন নামঞ্জুর করেন।
উল্লেখ্য, ভৈরব পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর, পৌর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ভৈরব চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক পরিচালক আল আমিন সৈকত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ভৈরবজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ঘটনার পর থেকে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে আসছেন নিহতের পরিবার ও স্থানীয়রা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে প্রতি মিলিয়ন ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিট (এমএমবিটিইউ) ২৩.৯৮ থেকে ২৮.০৩ ডলার দরে চারটি কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কেনার অনুমোদন প্রদান করেছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।
এই অনুমোদনটি বুধবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে দেওয়া হয়।
চারটি কার্গোর মধ্যে তিনটি ২০২৫ সালের সরকারি ক্রয় বিধিমালার (পিপিআর) ১০৫(৩)(ক) বিধি অনুসারে আন্তর্জাতিক কোটেশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কেনা হবে এবং অপরটি সরকার-টু-সরকার (জিটুজি) ব্যবস্থায় সৌদি আরবের আরামকোর ট্রেডিং শাখা থেকে ক্রয় করা হবে।
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকে প্রস্তাবগুলো ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির কাছে উপস্থাপন করা হয়।
আন্তর্জাতিক কোটেশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ৪৯তম এলএনজি কার্গোটি ২৫ থেকে ২৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সরবরাহের জন্য আরামকো ট্রেডিং সিঙ্গাপুর থেকে প্রতি এমএমবিটিইউ ২৭.৫৪ ডলার দরে কেনা হবে।
৫০তম কার্গোটি ১ থেকে ২ অক্টোবরের মধ্যে সরবরাহ করবে বিপি সিঙ্গাপুর পিটিই লিমিটেড, যার দাম প্রতি এমএমবিটিইউ ২৮.০৩ ডলার।
আর ৫১তম কার্গোটি ৫ থেকে ৬ অক্টোবরের মধ্যে সরবরাহ করবে সিঙ্গাপুরভিত্তিক ভিটল এশিয়া পিটিই লিমিটেড, যার দাম প্রতি এমএমবিটিইউ ২৬.৬৬৮৮ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট দর অনুযায়ী এই তিনটি কার্গো কেনার প্রস্তাব অনুমোদনের সুপারিশ করে কমিটি।
এছাড়া, আরামকো ট্রেডিং সিঙ্গাপুর পিটিই লিমিটেড থেকে প্রতি এমএমবিটিইউ ২৩.৯৮ ডলার দরে আরও একটি কার্গো এলএনজি কেনার প্রস্তাব অনুমোদনের সুপারিশ করা হয়েছে।
সরকার-টু-সরকার ব্যবস্থার আওতায় আরামকো ট্রেডিং সিঙ্গাপুর পিটিই লিমিটেড ও পেট্রোবাংলার মধ্যে স্বাক্ষরিত স্বল্পমেয়াদি এলএনজি বিক্রয় ও ক্রয় চুক্তির (এলএনজি এসপিএ) ৭.২(খ) ধারা অনুযায়ী অতিরিক্ত এই এলএনজি কেনা হবে।
এই এলএনজি আগামী ১০ সেপ্টেম্বর সরবরাহের কথা রয়েছে এবং বিদ্যমান চুক্তির আওতায় এটি ‘অতিরিক্ত পরিমাণ’ হিসেবে ক্রয় করা হবে।
বাংলাদেশ বর্তমানে দেশীয় প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদনে ঘাটতি পূরণ এবং বিদ্যুৎকেন্দ্র, শিল্পকারখানা ও অন্যান্য গ্রাহকের গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে আমদানি করা এলএনজির ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভর করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে এবার ‘মহা শয়তান’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কালিবাফ যুক্তরাষ্ট্রের বেসামরিক স্থাপনাগুলোর উপর হামলার তীব্র সমালোচনা করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র আচরণে ‘মহা শয়তান’-এর মতো। তিনি বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এ বিষয়ে একটি পোস্ট করেন।
দেশটির আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা
জানায়, কালিবাফ মিনাবের একটি স্কুল, লামার্দের একটি ক্রীড়া হল এবং কুহেস্তাকের একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে মার্কিন হামলার কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এসব হামলায় শিশু ও বেসামরিক নাগরিকদের প্রাণহানি ঘটেছে। কালিবাফ মন্তব্য করেন, ‘যদি কোনো শক্তি শয়তানের মতো আচরণ করে, শয়তানের মতো লক্ষ্যবস্তু বেছে নেয় এবং শয়তানের মতো হত্যা করে, তাহলে সে শয়তান।’
তিনি আরও বলেন, ‘আর যদি এমনই কাজ করা এক জুনিয়র শয়তানকে সে সুরক্ষা দেয়? তাহলে সেটি হলো মহান শয়তান।’
এর আগে, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই সিরিকের কুহেস্তাকে একটি আবাসিক বাড়িতে মার্কিন হামলার নিন্দা জানান।
সেখানে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে কয়েকটি পরিবার জড়ো হয়েছিল। বাঘাই জানান, হামলায় ৫০ জনের বেশি মানুষ নিহত বা আহত হয়েছেন।
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) ও সেনাবাহিনী জর্ডান, ইরাকের এরবিল, কুয়েত, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থিত বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। সিরিকের ওই হামলায় প্রায় ৭০ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত ও আহত হন।
নিহত চারজনের মধ্যে একটি শিশুও ছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ