বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৩:১৫ পি.এম
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করার পর ঢাকা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন জানিয়েছেন, বিরোধী দলের অনেক নেতা তার পাশে দাঁড়িয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, তারা সরাসরি ফোন করে তার কর্মকাণ্ডে সমর্থন জানিয়েছেন।
ইশরাক হোসেন একটি বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশনে সাক্ষাৎকারে এসব তথ্য তুলে ধরেন।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) এটি প্রকাশিত হয়। বিরোধী দলের নেতাদের অবস্থান সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘তাদের মধ্যে বেশিরভাগই আমাকে সরাসরি ফোন করে বলেছেন, আমরা আপনার সঙ্গে আছি।’
তিনি আরও জানান, ‘আপনার যেকোনো কর্মকাণ্ডে আমরা পাশে থাকব। এটি একটি ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে, সব জায়গায় ছড়িয়ে পড়ছে। আপনি যদি প্রয়োজন মনে করেন, তাহলে আমরাও আপনার সঙ্গে থাকতে চাই। এ ধরনের কথা বলেছেন অনেকে।’
দলের প্রতি তার কোনো ক্ষোভ আছে কিনা, সে বিষয়ে জানতে চাইলে ইশরাক হোসেন বলেন, ‘দল কখনোই চাইবে না, মন্ত্রিসভার কোনো সদস্য পদত্যাগ করুন। তিন-চারটি দৈনিক পত্রিকা পরিকল্পিতভাবে সিন্ডিকেট তৈরি করেছে। তারা যেকোনো উপায়ে আমাকে ক্ষতিগ্রস্ত করার মাধ্যমে আমার নেতা, প্রধানমন্ত্রীর কর্মকাণ্ডকেও ক্ষতিগ্রস্ত করতে চায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘নিরাপদ মাতৃত্ব, সুস্থ শিশু—আমাদের অঙ্গীকার’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে আজেদা মা ও শিশু হাসপাতাল দিনাজপুরের পার্বতীপুরে যাত্রা শুরু করেছে।
হাসপাতালটির উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয় বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) তারিখে, যেখানে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর-৫ (পার্বতীপুর-ফুলবাড়ী) আসনের সংসদ সদস্য জেড এম রেজওয়ানুল হক। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুরের সিভিল সার্জন গোলাম রসুল রাখি।
বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পার্বতীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরাফাত আমান আজিজ, সাবেক পৌর মেয়র এ জেড এম মেনহাজুল হক এবং ইসলাম ক্লিনিক ও ডায়াবেটিক সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মোফাক্ষারুল ইসলাম।
হাসপাতালটির চেয়ারম্যান তাহসিন আহমেদের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানের সূচনা হয় পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে। অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন হাসপাতালটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. কামরুন নাহার কল্পনা।
সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, আজেদা মা ও শিশু হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার ফলে পার্বতীপুর ও আশপাশের এলাকার মা ও শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তির সুযোগ আরও বৃদ্ধি পাবে। বিশেষ করে মাতৃস্বাস্থ্য সুরক্ষা, নিরাপদ প্রসব এবং শিশুর যথাযথ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে হাসপাতালটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ব্যাডমিন্টন ফেডারেশনের উদ্যোগে শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ‘৪০তম জাতীয় ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপ।’ এবারের প্রতিযোগিতায় রেকর্ড ৬১৬ শাটলার অংশগ্রহণ করছেন, যারা ৮৮টি দলের প্রতিনিধিত্ব করছেন, যার মধ্যে জেলা, বিভাগ, শিক্ষাবোর্ড, বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভিন্ন সংস্থা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এতে পুরুষ প্রতিযোগীদের সংখ্যা ৫৩৫ এবং নারী শাটলার রয়েছেন ৮১ জন। পল্টনস্থ শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ ইনডোর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য ছয় দিনব্যাপী এ আয়োজন আগামী ২৮ অক্টোবর শেষ হবে। প্রধান অতিথি হিসেবে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক উদ্বোধন করবেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ দৌলতুজ্জামান খাঁন এবং এনএসসির পরিচালক (ক্রীড়া) মোহাম্মদ জাহেদ পারভেজ চৌধুরী। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করবেন বাংলাদেশ ব্যাডমিন্টন ফেডারেশনের সভাপতি মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন।
বুধবার (২১ অক্টোবর) টুর্নামেন্ট ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য তুলে ধরেন ব্যাডমিন্টন ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক কাজী হাসিবুর রহমান শাকিল। এ সময় ফেডারেশনের অন্যান্য কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপে প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে রয়েছে পিএইচপি ফ্যামিলি এবং সহযোগী হিসেবে রয়েছে জেডএসআরএম, নোহা, আইপিডিসি, ব্র্যাক ব্যাংক, পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি, কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্স পিএলসি, ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি ও পিপলস ইন্স্যুরেন্স পিএলসি। টুর্নামেন্টের বেভারেজ পার্টনার হিসেবে রয়েছে টার্বো ইলেকট্রোলাইট স্পোর্টস ড্রিংক এবং কানেক্টিভিটি পার্টনার ওয়ান স্কাই কমিউনিকেশন লিমিটেড।
জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো দেশের ব্যাডমিন্টনে নতুন প্রতিভা অন্বেষণ, প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের প্রতিভা তুলে ধরা এবং জাতীয় পর্যায়ে খেলাটির প্রতিযোগিতামূলক মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা। এ মন্তব্য করেন ব্যাডমিন্টন ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক কাজী হাসিবুর রহমান। ১০ লাখ টাকার প্রাইজমানির টুর্নামেন্টে পুরুষ এককে চ্যাম্পিয়ন পাবেন ১ লাখ ৪০ হাজার, রানার আপ পাবেন ১ লাখ টাকা। নারী এককে চ্যাম্পিয়ন পাবেন ১ লাখ এবং রানার আপের জন্য থাকছে ৬০ হাজার টাকা অর্থ পুরস্কার। এছাড়া পুরুষ দ্বৈতে চ্যাম্পিয়ন পাবেন ১ লাখ ৪০ হাজার, রানার্স আপ পাবেন ১ লাখ টাকা, নারী দ্বৈতে চ্যাম্পিয়ন পাবেন ১ লাখ, রানার্স আপ পাবেন ৬০ হাজার এবং মিশ্র দ্বৈতে চ্যাম্পিয়ন পাবেন ১ লাখ এবং রানার্স আপের জন্য থাকবে ৬০ হাজার টাকা। টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের জন্য বিশেষ পুরস্কার হিসেবে থাকছে একটি ইলেকট্রিক বাইক।
ইনজুরির কারণে গত আসরের পুরুষ এককে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ আনসারের খন্দকার আবদুস সোয়াদ এবারের প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারছেন না। তবে রানার আপ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আল আমিন জুমার অংশগ্রহণ নিশ্চিত। এছাড়া নারী এককে গত আসরের চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নাসিমা খাতুন এবং রানার আপ উর্মি আক্তার (বাংলাদেশ সেনাবাহিনী) সহ শীর্ষ খেলোয়াড়রা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ট্রাক ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় এক নারীসহ দুজন নিহত হয়েছেন। এই দুর্ঘটনায় আরও অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার মৈকুলী এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন, রূপগঞ্জের মৈকুলী এলাকার বাসিন্দা শাহনাজ বেগম (৫৫) এবং একই এলাকার জসিম উদ্দিনের ছেলে রিফাত হোসেন (২০)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে যাত্রী নিয়ে একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা রূপসীর দিকে যাচ্ছিল। মৈকুলী এলাকায় পৌঁছানোর পর বিপরীত দিক থেকে আসা দ্রুতগতির একটি ট্রাকের সঙ্গে অটোরিকশাটির মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এই সংঘর্ষে অটোরিকশাটি সম্পূর্ণ দুমড়েমুচড়ে যায়। দুর্ঘটনার ফলে ঘটনাস্থলেই শাহনাজ বেগম ও রিফাত হোসেনের মৃত্যু ঘটে।
এ সময় অটোরিকশায় থাকা আরও অন্তত তিনজন গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। দুর্ঘটনার পর মহাসড়কের ওই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ভুলতা হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ জসিম উদ্দিন জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার পর ট্রাকটি আটক করা হয়েছে। এই ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকার ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে অধিদপ্তরে রূপান্তর করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে এর সাংগঠনিক কাঠামোর খসড়া তৈরি করতে নির্দেশনা প্রদান করেছে এবং পূর্ণাঙ্গ প্রস্তাব পাঠানোর জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ব্যক্তিদের জন্য সম্মানি ও প্রশিক্ষণভিত্তিক কল্যাণ ব্যবস্থা চালুর সরকারি উদ্যোগের অংশ হিসেবে এই রূপান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগের আওতায় মসজিদ, মন্দির, বৌদ্ধ বিহার ও গির্জায় কর্মরত ১০ লাখের বেশি ধর্মীয় ব্যক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি উপজেলা পর্যায়ে কার্যালয় ও প্রয়োজনীয় জনবল কাঠামো গড়ে তোলার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।
জানা গেছে, গত ১৭ সেপ্টেম্বর ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালকের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছে, যাতে অধিদপ্তরের সাংগঠনিক কাঠো তৈরি করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, "সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম এবং অন্যান্য উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের জন্য সম্মানি ও প্রশিক্ষণভিত্তিক কল্যাণ ব্যবস্থা চালুর বিষয়ে গত ৪ আগস্ট অনুষ্ঠিত সেলের সপ্তম সভায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে অধিদপ্তরে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত হয়।"
সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে জনবল কাঠামোসহ কার্যালয় স্থাপনের জন্য একটি খসড়া সাংগঠনিক কাঠামো তৈরি করতে হবে। একই সঙ্গে প্রয়োজনীয় চেকলিস্টসহ পূর্ণাঙ্গ প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অধিদপ্তরে রূপান্তরিত হলে বর্তমানে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচালিত ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ওপর সরকারের সরাসরি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হবে। এতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নের গতি বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে, তবে বোর্ড অব গভর্নরসের বর্তমান কাঠামো বিলুপ্ত হবে। এছাড়া, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির সম্ভাবনাও রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ