প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানিয়েছেন, ইরানকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করতে হবে, যাতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের অবসান ঘটানো সম্ভব হয়। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, পরমাণু ইস্যুতে ওয়াশিংটন ইরানের কাছ থেকে বাস্তব ও অর্থবহ পদক্ষেপের প্রত্যাশা করছে।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ভ্যান্স বলেন, "যদি ইরান পরমাণু অস্ত্র তৈরি করতে না চায়, তাহলে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত সমৃদ্ধ জ্বালানি রাখার প্রয়োজন কেন?" এ প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। তিনি মনে করেন, ইরানকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের সক্ষমতার ক্ষেত্রে অর্থবহ পরিবর্তন আনতে হবে, যাতে তারা পরমাণু অস্ত্র তৈরি না করার প্রতিশ্রুতির প্রমাণ দিতে পারে।
ভ্যান্স বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এখনও ইরানের সঙ্গে একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর জন্য আগ্রহী। তবে তিনি সতর্ক করে দেন যে, শুধুমাত্র কথার বিনিময়ে কোন ছাড় দেবে না ওয়াশিংটন। ইরানকে পরমাণু কর্মসূচির ক্ষেত্রে বাস্তব পদক্ষেপ নিতে হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
ইরানের অভ্যন্তরে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া সম্পর্কে ভ্যান্স সংশয় প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচির সঙ্গে আলোচনা করছে। তবে তেহরানের ক্ষমতাকাঠামোর মধ্যে তাদের প্রভাব কতটা, সে বিষয়ে ওয়াশিংটন পুরোপুরি নিশ্চিত নয়।
ভ্যান্স আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে ইরানের পরমাণু কর্মসূচি পুনর্গঠন ঠেকানো। একই সঙ্গে, ইরানকে পরমাণু অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখা এবং মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতা ঠেকানোর ওপরও যুক্তরাষ্ট্র গুরুত্ব দিচ্ছে।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে আলোচনা চলছে। ভ্যান্সের বক্তব্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কাছ থেকে বাস্তব পদক্ষেপ পাওয়াকে সম্ভাব্য সমঝোতার গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হিসেবে দেখছে। তথ্যসূত্র: তাস, রয়টার্স
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন