প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
হিজরি সনের প্রথম মাস মহররমের ১০ তারিখকে আশুরা বলা হয়। এই দিনটিকে বিশেষভাবে স্মরণ করার জন্য এই নামটি প্রদান করা হয়েছে। এদিনের অন্যতম আমল হচ্ছে রোজা রাখা।
যেসব নফল রোজার গুরুত্ব অপরিসীম, আশুরার রোজা এর মধ্যে অন্যতম। নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই রোজার ব্যাপারে খুব আগ্রহী থাকতেন এবং তার জন্য অপেক্ষা করতেন।
এই রোজাকে হাদিসে সর্বোত্তম রোজা হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে। এক হাদিসে আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে, নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘রমজানের পর আল্লাহর মাস মহররমের রোজা হলো সর্বশ্রেষ্ঠ।’ (মুসলিম ২/৩৬৮)
এ হাদিস থেকে মহররমের বিষয়ে দুটি কথা জানা যায়। প্রথমত, মহররম মাস আল্লাহর মাস, এটি সম্মানিত ও মহিমান্বিত মাস। দ্বিতীয়ত, এর সম্মান রক্ষা এবং এ থেকে যথাযথ উপকৃত হওয়ার একটি মাধ্যম হলো, এ মাসে রোজা রাখার প্রতি যত্নবান হওয়া।
সুতরাং মহররম মাসে রোজা রাখার প্রতি মনোযোগী হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে দশ মহররম আশুরার রোজার কথা হাদিসে গুরুত্বের সাথে উল্লেখ করা হয়েছে। এ বিষয়েও বিশেষভাবে খেয়াল রাখা উচিত।
আশুরার রোজার গুরুত্ব নিয়ে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, ‘আমি আল্লাহর রসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে রমজান ও আশুরায় যেভাবে গুরুত্বের সাথে রোজা রাখতে দেখেছি অন্য সময় তা দেখিনি।’ (বুখারি ১/২১৮)
আশুরার রোজা মূলত ১০ই মহররমের রোজা। তবে, এই রোজার সাথে আরও একটি রোজা মিলিয়ে রাখার ব্যাপারে হাদিসে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘তোমরা আশুরার দিন রোজা রাখ এবং তাতে ইহুদিদের বিরোধিতা কর, আশুরার আগে একদিন বা পরে একদিন রোজা রাখ।’ (ইবনে খুজাইমা ২০৯৫)
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন