প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
শিবা শর্মা (২৮) নামের এক ক্যাফে মালিক বহুতল ভবনের বারান্দা থেকে পড়ে গিয়ে নিহত হয়েছেন। ভারতের উত্তরপ্রদেশের লখনৌতে গত শুক্রবার রাতে এই ঘটনা ঘটে।
নিহতের মায়ের অভিযোগ, তার ছেলের গার্লফ্রেন্ড সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার। দীর্ঘ সময় ধরে মেয়েটি শিবকে ব্ল্যাকমেইল ও শারীরিক নির্যাতন করে আসছিলেন। এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আসামিদের মধ্যে রয়েছেন নিহতের প্রেমিকা শ্রদ্ধা দুবে, তার বোন রশ্মি দুবে, গাড়িচালক দানিশ, সহযোগী আদিল এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও কয়েকজন।
মামলার এজাহারে নিহতের মা রঞ্জনা শর্মা উল্লেখ করেছেন, গত শুক্রবার রাতে শ্রদ্ধার টেলিফোন পেয়ে তিনি জানতে পারেন যে শিবা তার বারান্দা থেকে নিচে পড়ে গেছেন এবং তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। পরে শ্রদ্ধার দেওয়া নম্বরে যোগাযোগ করলে জানা যায়, তার চালক দানিশ শিবকে একটি হাসপাতালে নিয়ে গেছেন।
লখনৌয়ের কিং জর্জ মেডিকেল ইউনিভার্সিটির (কেজিএমইউ) জরুরি বিভাগে পৌঁছানোর পর রঞ্জনা দেখতে পান, সেখানে একটি অ্যাম্বুলেন্সের পাশে দাঁড়িয়ে আছেন চালক দানিশ। কিন্তু শিবার কী হয়েছিল—এ বিষয়ে জানতে চাইলে দানিশ কোনো তথ্য দিতে অস্বীকার করেন এবং শিবার নিথর দেহ সেখানে রেখেই পালিয়ে যান। পরে চিকিৎসকরা শিবাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পুলিশ বারান্দা থেকে পড়ে যাওয়ার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু করেছে।
নিহতের মায়ের অভিযোগ, গত চার মাস ধরে শিবাকে আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া এবং সম্মানহানির ভয় দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে আসছিলেন শ্রদ্ধা দুবে। এই সম্পর্কের কারণে শিব চরম মানসিক চাপে ছিলেন। এর আগেও ছেলের শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পেলেও শিব বিষয়টি এড়িয়ে যেতেন বলে জানান তিনি।
রঞ্জনা শর্মা আরও অভিযোগ করেন, গত ২০-২৫ দিন আগে হযরতগঞ্জের একটি হনুমান মন্দিরে তাদের একটি বৈঠক হয়। সেখানে শ্রদ্ধার কাছে বিয়ের প্রস্তাব দিলে তিনি রাজি হন এবং দুই পরিবারের সম্মতিতে ছোট পরিসরে একটি আয়োজনের কথাও ওঠে। কিন্তু এই আলোচনার পর শ্রদ্ধার আচরণ আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে আসার পর মৃত্যুর আসল কারণ স্পষ্ট হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন