প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রোববার (১৯ জুলাই) গভীর রাতে ছাতকের সুরমা নদী থেকে চুরির কাজে ব্যবহৃত একটি ইঞ্জিনচালিত কাঠের নৌকাসহ তাদের আটক করা হয়।
পুলিশের সূত্রে জানা যায়, পরে তাদের দেওয়া তথ্যে ছাতক পৌর শহরের রেলওয়ে কলোনি এলাকার রমজানের ভাঙারির দোকান থেকে আনুমানিক দেড় লাখ টাকা মূল্যের ছয়টি চোরাই মোটর জব্দ করে পুলিশ।
আটক হওয়া চারজনের মধ্যে ছাতক উপজেলার গণেশপুর ছড়ারপাড় এলাকার তোফাজ্জল হক (২২), জুবের মিয়া (২৩), আবু বক্কর (২২) এবং চোরাই মালামালের ক্রেতা ছাতক পৌর শহরের বাগবাড়ি গ্রামের রমজান মিয়া (৪০) রয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, ১৩ জুলাই রাতে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ইছাকলস পূর্বপাড়া গ্রামের কাটাগাং নদীর তীরে অবস্থিত বশির কোম্পানির বালুর স্টক থেকে ছয়টি মোটর চুরি হয়।
১৯ জুলাই রোববার রাতে মোটরগুলো রমজান আলীর ভাঙারির দোকানে বিক্রি করা হয়। পরবর্তীতে নদী পথে পালিয়ে যাওয়ার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ছাতক নৌপুলিশ ও থানা পুলিশ যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে চোর চক্রের তিন সদস্যকে আটক করে চোরাই মোটর জব্দ করে।
তবে, পুলিশের অভিযানের সময় আরও তিন চোর নৌকা থেকে পালিয়ে যান।
নৌপুলিশের দাবী, আটক হওয়া চক্রের সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে ছাতক ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সুরমা ও পিয়াইন নদীর দুই তীরের বিভিন্ন ক্রাশার মিল ও বালুর স্টক থেকে মোটর, কনভেয়ার বেল্ট, ট্রান্সফরমারসহ মূল্যবান যন্ত্রপাতি চুরি করে আসছিলেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ছাতক নৌপুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন বলেন, চুরির ঘটনাস্থল কোম্পানীগঞ্জ থানায় হওয়ায় সেখানে ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে এবং আটক চারজনকে কোম্পানীগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন