প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নরসিংদীর পলাশে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলা ও গুলিতে আহত ছাত্রদল নেতা ইব্রাহিম আল মাসুম মারা গেছেন। তিনি দীর্ঘ ৯দিন ধরে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন এবং সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে তার মৃত্যু হয়।
নিহত ছাত্রদল নেতা ইব্রাহিম আল মাসুম ডাঙ্গা ইনিয়নের হাসনহাটা গ্রামের মমিন হাজীর ছেলে। তিনি ডাঙ্গা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করতেন।
এর আগে, ১ আগস্ট রাতে ডাঙ্গার হাসনহাটা গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলার ফলে গুলিবিদ্ধ হন ছাত্রদল নেতা ইব্রাহিম আল মাসুম। ওই ঘটনায় গুরুতর আহত হন ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ অন্তত ১০ জন।
পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফকির বাড়ি এলাকার বিজয়, সবুজ, ইকবাল ও সানির সাথে একই এলাকার মাসুম, মামুন ও জয়নাল আবেদীনের মধ্যে পূর্ব বিরোধ ছিল। এর জেরে ১ আগস্ট রাতে ফকির বাড়ি এলাকায় একটি মুদি দোকানে উপস্থিত ছিলেন মাসুম, মামুন, জয়নালসহ আরও কয়েকজন। পূর্ব শত্রুতার কারণে বিজয়, সবজু, ইকবাল ও সানি দলবলসহ আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে পেটে গুলিবিদ্ধ হন ছাত্রদল নেতা মাসুম। এই সময় বাধা দিতে গিয়ে প্রতিপক্ষের কোপে গুরুতর আহত হন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মামুন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীনসহ আরও ১০ জন।
আহতদের পরে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গুরুতর আহত মাসুমকে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিত্সা দেওয়া হয়েছিল। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে।
মাসুমের মৃত্যু সংবাদ এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় নেতা ও কর্মীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ সৃষ্টি হয় এবং উত্তেজনা বিরাজ করে।
পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহেদ আল মামুন জানান যে মাসুমের মৃত্যুর বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে। ঘটনাটি সম্পর্কিত ছাত্রদল নেতা মাসুমের বোনজামাতা বাদি হয়ে পলাশ থানায় ৩৭ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন। পুলিশের পক্ষ থেকে জড়িতদের গ্রেপ্তারের জন্য কাজ চলছে।
মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামনে কোন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা যাতে না ঘটে, সে বিষয়ে পুলিশ তৎপর রয়েছে বলেও জানান ওসি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন