প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চিটাগাং চেম্বারের সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক মন্তব্য করেছেন যে, সিডিএকে সরকারি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে সমানভাবে মূল্যায়ন করা উচিত। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য একটি আইন এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ভিন্ন আইন প্রযোজ্য হওয়া উচিত নয়।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি এবং চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (চউক) যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘ব্যবসাবান্ধব পরিকল্পিত নগরায়ন বাস্তবতা ও প্রত্যাশা: প্রেক্ষাপট- বৃহত্তর চট্টগ্রাম এলাকার খসড়া মহাপরিকল্পনা (২০২৫-২০৫০)’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি উল্লেখ করেন, মাস্টারপ্ল্যানে শিল্প কারখানা, হাসপাতাল ও স্কুল নির্মাণে জোনভিত্তিক পরিকল্পনা অপরিহার্য। এর ফলে শিক্ষা জোনে শুধুমাত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং হাসপাতাল জোনে হাসপাতাল স্থাপন করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি, পেট্রোকেমিক্যালসহ বিভিন্ন শিল্প কারখানা গড়ে তোলার জন্য জোনভিত্তিক বিস্তারিত ম্যাপিং প্রয়োজন।
চেম্বার সভাপতি আরও বলেন, রাস্তার পাশে বা ফুটপাতে গড়ে ওঠা ভাসমান দোকানগুলো ভ্যাট ও ট্যাক্স প্রদান করে না, কিন্তু তাদের কারণে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে এবং সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে। তাই, হকার মুক্ত ফুটপাত এবং সড়ক ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার জন্য তাদের পুনর্বাসন করা প্রয়োজন।
চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (চউক) চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. বেলায়েত হোসেন জানান, প্রধানমন্ত্রী যে ভিশন দিয়েছেন, তার আলোকে চট্টগ্রাম নগরীকে সত্যিকার অর্থে বাণিজ্যিক, সবুজ ও নান্দনিক নগরীতে রূপান্তরিত করতে কাজ করছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। পাহাড় ও সমুদ্র দ্বারা বেষ্টিত এই চট্টগ্রামকে জলাবদ্ধতা, যানজট ও দূষণমুক্ত এবং নাগরিক সুবিধাসম্পন্ন পরিকল্পিত বাসযোগ্য শহর হিসেবে গড়ে তুলতে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ এবং রূপটপ সোলার প্যানেল স্থাপনের বিষয়গুলো আইনগত বাধ্যবাধকতায় পরিণত করার লক্ষ্যে জাতীয়ভাবে গণপূর্ত, স্বরাষ্ট্রসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীদের নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে।
ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, শিল্প কারখানা স্থাপনের ক্ষেত্রে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব দিতে হবে। বাসাবাড়ির সামনে ময়লা ফেললে জরিমানা করা হবে এবং বিল্ডিং কোড ও ডিজাইন অনুযায়ী ভবন নির্মাণ না করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন চউক চেয়ারম্যান।
সভায় বক্তব্য রাখেন চেম্বারের প্রাক্তন সভাপতি আমির হুমায়ন মাহমুদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রফেসর ড. কামাল হোসেন, চুয়েটের সহকারী অধ্যাপক তন্দ্রা দাশ, চেম্বারের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি এমএ ছালাম, বিজিএমইএর সহ-সভাপতি মোহাম্মদ রফিক চৌধুরী, রাশিয়ার অনারারি কনসাল স্থপতি আশিক ইমরান প্রমুখ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন