প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজধানীর ভাটারায় গ্যাসলাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের কারণে দুইদিন আগে দগ্ধ হয়েছিল একই পরিবারের তিনজন। এর পরিপ্রেক্ষিতে, জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাত্র ৬ ঘণ্টার ব্যবধানের মধ্যেই দুজন মৃত্যু বরণ করেছেন। দগ্ধ হয়ে বাঁচতে থাকা অন্যজনের অবস্থাও খুবই আশঙ্কাজনক।
নিহত দুইজনের নাম মো. শাহীন (২৪) ও হাফসা (৮)। তারা মামা এবং ভাগনি। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দিবাগত রাত ১২টার সময় শিশু হাফসা এবং শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকাল ৬টার সময় শাহীন শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
এর আগে, গত মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ভোরের দিকে রাজধানীর ভাটারার নতুন বাজার ১০০ ফিট এলাকার একটি ছয়তলা ভবনের নিচতলার বাসায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছিল। দগ্ধ হওয়ার পরপরই তিনজনকে উদ্ধার করা হয় এবং তাদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়েছিল।
বিরতিকভাবে, দগ্ধদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় প্রতিবেশী মো. জসিম জানান, নিহত শাহীন পেশায় একটি দোকানের কর্মচারী ছিলেন। তিনি নতুন বাজার ১০০ ফিট রোডের ওই ভবনের নিচতলায় পরিবারসহ বসবাস করতেন। মঙ্গলবার ভোরে বিকট শব্দে গ্যাসলাইনের লিকেজ থেকে আচমকা বিস্ফোরণ ঘটে। এরপর তারা দ্রুত দগ্ধ অবস্থায় জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি হন।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ভাটারা এলাকা থেকে দগ্ধ হয়ে তিনজন হাসপাতালে এসেছিলেন। তাদের মধ্যে শাহীন আজ সকাল ৬টায় আইসিইউতে মারা যান। তার শরীরের ৫০ শতাংশ দগ্ধ ছিল। এর আগেই, তার ভাগনি হাফসা গত রাত ১২টার সময় আইসিইউতে মৃত্যু বরণ করে; তার শরীরে ছিল ৪০ শতাংশ দগ্ধ।
তিনি আরো জানান, এ ঘটনায় দগ্ধ শাহীনের স্ত্রী ফাহিমা বর্তমানে হাসপাতালের চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার শরীরের ৪৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে এবং তার অবস্থাও খুবই আশঙ্কাজনক।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন