প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরবকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অনুমতি দিতে সম্মত হয়ে এসেছে। তবে, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত যে সকল সুরক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে সেগুলিকে পাশ কাটিয়ে এই অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে। এই তথ্যের সূত্র মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন।
সৌদি আরবের জন্য বেসামরিক পারমাণবিক কর্মসূচির ক্ষেত্রে মার্কিন সহায়তার খসড়া চুক্তিটি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্বাক্ষরের অপেক্ষায় রয়েছে। উল্লেখ্য, দুই দেশের মধ্যে এই সম্মন্ধে আলোচনা ২০২৫ সালের অক্টোবরেই সম্পন্ন হয়েছিল।
তবে, বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট দুটি সূত্র জানায়, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের কারণে ট্রাম্পের স্বাক্ষরে বিলম্ব হচ্ছে। ট্রাম্পের দাবি, ইরান যেন ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, সেজন্যই এই যুদ্ধের সূচনা হয়েছে। অপরদিকে, কংগ্রেসের কিছু সদস্য মনে করেন, যদি এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করা হয়, তাহলে ডেমোক্র্যাটদের পাশাপাশি রিপাবলিকানরাও বিরোধিতা করতে পারে। এই আশঙ্কার কারণে ট্রাম্প স্বাক্ষরে বিলম্ব করছেন।
বিশেষজ্ঞরা সিএনএনকে জানিয়েছেন, যদি কঠোর সুরক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা না যায়, তাহলে এই চুক্তি সৌদি আরবকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পথে নিয়ে যেতে পারে। সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান অতীতে সতর্ক করে বলেছিলেন, যদি তাদের প্রধান আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বী ইরান পারমাণবিক বোমা অর্জন করে, তবে সৌদি আরবও নিজস্ব পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে বাধ্য হবে।
হোয়াইট হাউস এই বিষয়ে করা প্রশ্নের কোনো উত্তর প্রদান করেনি। তারা সিএনএনকে ২০২৫ সালের অক্টোবরে জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইটের দেয়া একটি বিবৃতি দেখতে বলেছে। রাইট বলেছিলেন, ‘আমরা বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতার জন্য একটি চুক্তিতে পৌঁছেছি। দ্বিপাক্ষিক সুরক্ষা চুক্তির মাধ্যমে আমরা আমাদের অংশীদারিত্ব বাড়াতে চাই, সৌদি আরবে মার্কিন পারমাণবিক প্রযুক্তি নিয়ে যেতে চাই এবং পারমাণবিক বিস্তার রোধে আমাদের প্রতিশ্রুতি অটুট রাখতে চাই।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন