প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং পড়াশোনার খরচ নিয়ে বিজেপির এক কর্মীর প্রশ্নের প্রেক্ষিতে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজিপি)-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। আজ সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত এক ভিডিও বার্তায় শাসকদলের শীর্ষ নেতৃত্বকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তিনি বলেন, নিজের পড়াশোনার বৃত্তি এবং শিক্ষাসংক্রান্ত ঋণের যাবতীয় কাগজপত্র তিনি প্রকাশ করতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। একইসাথে প্রধানমন্ত্রী মোদীর নাম উল্লেখ না করে কটাক্ষের সুরে প্রশ্ন তোলেন, আমি আমার সমস্ত নথি দেখাতে রাজি আছি, কিন্তু সম্রাট কি তাঁর আসল ডিগ্রি দেখাবেন?
বস্টন ইউনিভার্সিটির ‘কলেজ অব কমিউনিকেশন’ থেকে পাবলিক রিলেশনসে এমএসসি ডিগ্রি ধারী হিসাবে এই সিজিপি নেতা সম্প্রতি ভারতের ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম প্রধান মুখ হিসেবে উঠে এসেছেন। এক বিজেপি কর্মী তথ্যের অধিকার আইনে (আরটিআই) তাঁর পড়াশোনার খরচ এবং তার উৎস জানতে চেয়ে আবেদন জানানো পরে এই বিতর্কের শুরু হয়।
জবাবে অভিজিৎ দীপ জানান, বস্টন ইউনিভার্সিটির স্কলারশিপ এবং ব্যাংক থেকে পাওয়া শিক্ষা ঋণের টাকায় তিনি পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন এবং সেই ঋণ এখনও পরিশোধ করা বাকি রয়েছে। এক সাধারণ তরুণের উচ্চশিক্ষা নিয়ে কেন এত জলঘোলা হচ্ছে এবং কেন শিক্ষা নিয়ে শাসকদলের এই অনীহা, তা নিয়েও প্রশ্ন উত্থাপন করেন তিনি।
অন্যদিকে, সাম্প্রতিক সময়ে ভারতে চলা সিজিপির আন্দোলনকে নির্বাসিত লেখিকা তসলিমা নাসরিনের কাছে ২০২৪ সালের বাংলাদেশের সরকারবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে তুলনা করার জন্য কড়া সমালোচনা করেন অভিজিৎ দীপ। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, বাংলাদেশ কিংবা নেপালের আন্দোলনের সঙ্গে ভারতের ছাত্র আন্দোলনের কোনও সম্পর্ক নেই। অন্য দেশের ঘটনাপ্রবাহের অজুহাতে ভারতের স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিবাদকে কলঙ্কিত করার চক্রান্ত চলছে বলেও অভিযোগ করেন এই যুব নেতা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন