প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ফুটবল প্রযুক্তির উন্নতি অনেক আগেই শুরু হয়েছে। তবে প্রতিদিনই নতুন কিছু সংযোজন হচ্ছে। এবার কার্ডের ক্ষেত্রে একটি নতুনত্ব আসতে চলেছে। কাগজের হলুদ ও লাল কার্ডের ব্যবহার শীঘ্রই শেষ হতে যাচ্ছে, সতর্কতা ও শাস্তির জন্য।
রেফারির পরিচিত দৃশ্যটি এবার প্রযুক্তির প্রভাবে পরিবর্তিত হতে চলেছে। কাগজের কার্ডের পরিবর্তে ইলেকট্রনিক যন্ত্রের মাধ্যমে হলুদ ও লাল কার্ড প্রদর্শিত হবে। এই প্রযুক্তির পরীক্ষামূলক প্রয়োগ ঘটেছে উরুগুয়ে।
১৫ অক্টোবর উরুগুয়ের কোপা এইউএফ উরুগুয়ে টুর্নামেন্টে ন্যাসিওনাল ও রেন্তিস্তাসের মধ্যে ম্যাচে এই ডিজিটাল কার্ডের ব্যবহার করা হয়। রেফারি এদুয়ার্দো ভারেলা স্মার্টফোনের মতো দেখতে যন্ত্রটি ব্যবহার করে খেলোয়াড়দের শাস্তি প্রদান করেন। ম্যাচের ১২ মিনিটে প্রথম হলুদ কার্ডটি রেন্তিস্তাসের হুয়ান পাবলো প্লাদাকে দেখানো হয়। ন্যাসিওনালের ৩-০ গোলের জয়ের ম্যাচে ম্যাক্সি সিলভেরাকে ফাউল করার জন্য তাকে এই শাস্তি দেওয়া হয়।
তবে এই প্রযুক্তির কার্যকারিতা শুধুমাত্র কার্ড প্রদর্শনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। যন্ত্রটিতে দুটি বোতাম রয়েছে, একটি হলুদ কার্ড এবং অন্যটি লাল কার্ড প্রদর্শনের জন্য। একই সঙ্গে, শাস্তির সিদ্ধান্ত স্বয়ংক্রিয়ভাবে উরুগুয়ে ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের ‘কোমেট’ (COMET) ব্যবস্থায় নথিভুক্ত হয়ে যায়।
এই যন্ত্রের মাধ্যমে গোল, পেনাল্টি, খেলোয়াড় পরিবর্তনসহ ম্যাচের বিভিন্ন ঘটনার তথ্যও নথিভুক্ত করা সম্ভব। ফলে হাতে লিখে তথ্য রেকর্ড করার ঝামেলা কমে যাবে।
যদিও সময় ও ঝামেলা কমানোর জন্য এটি কার্যকর, পরীক্ষায় কিছু সীমাবদ্ধতা লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে, দূর থেকে এবং তীব্র সূর্যের আলোতে পর্দার রং স্পষ্ট দেখা কঠিন। তাই ডিজিটাল ব্যবস্থা এখনই চিরচেনা কার্ডের স্থান দখল করছে না।
তবে ভবিষ্যতে রেফারির পকেটে কাগজের কার্ডের পরিবর্তে থাকবে একটি ছোট ইলেকট্রনিক যন্ত্র, যেখানে শাস্তির ভেদে কার্ডের ছবি প্রদর্শিত হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন