প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ব্যবসায়ীরা আবারও দাম বাড়ানোর দাবি তুললেও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানিয়েছেন, যাচাই-বাছাইয়ের আগে ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানো হবে না। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, ব্যবসায়ীরা ভোজ্যতেলের দাম বৃদ্ধির দাবি জানালেও সরকার পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নেবে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে সিলেট সদর উপজেলার কানিশাইলে সুরমা নদীর ডান তীরে প্রতিরক্ষা কাজের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ কমে যাওয়ার কারণে ভোক্তাপর্যায়ে এর প্রভাব পড়ছে। এই পরিস্থিতিতে ব্যবসায়ীরা সরকারের কাছে আবারও দাম বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
গত ২৯ এপ্রিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ৪ টাকা বাড়ানোর অনুমতি দেয়। সেই সময় ১ লিটারের বোতলের দাম ১৯৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৯৯ টাকা হয়। পরে বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন লিটারে আরো ১০ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠায়। সরকার সবশেষ লিটারে ৫ টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।
ব্যবসায়ীদের দাবি, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ার পাশাপাশি পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ার কারণে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলে খরচ ১৮ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। তারা জানান, বর্তমান দামে বিক্রি করলে তাদের ধারাবাহিক লোকসান হচ্ছে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মতে, বিশ্ববাজারে দাম কিছুটা বাড়লেও কোম্পানিগুলোর প্রস্তাবিত দামের সঙ্গে বড় ব্যবধান রয়েছে। এছাড়া ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে নিত্যপণ্যে করছাড় দেওয়া হয়েছে।
সয়াবিন তেলের দাম নির্ধারণ প্রসঙ্গে মন্ত্রী এর আগে বলেছিলেন, সয়াবিন তেল পুরোপুরি আমদানিনির্ভর। এফওবি মূল্যের সঙ্গে জাহাজভাড়া, খালাস ব্যয়, বিমা, রিফাইনারির প্রক্রিয়াকরণ খরচ ও পরিবহনকালীন অপচয় যোগ করে চূড়ান্ত দাম ঠিক করা হয়। তিনি সতর্ক করেছিলেন যে, আমদানিকারকেরা টানা লোকসানে পড়লে বাজারে সরবরাহ সংকট তৈরি হতে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন