প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীদের ভোগান্তি কমানোর উদ্দেশ্যে নতুনভাবে ২০০টি ট্রলি সংযুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি, আরো ১৫০টি ট্রলি সংযুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে। নতুন ট্রলিগুলি যুক্ত হওয়ায় বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ আশা করছে, দীর্ঘদিনের ট্রলি সংকট অনেকাংশে সমাধান হবে।
বর্তমানে শাহজালালে মোট ট্রলির সংখ্যা ৪ হাজার ৩৯০টিতে পৌঁছেছে। যদি প্রক্রিয়াধীন ১৫০টি ট্রলি যুক্ত হয়, তাহলে এই সংখ্যা ৪ হাজার ৫৪০টিতে পৌঁছাবে।
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগিব সামাদ জানিয়েছেন, গত ৩ অক্টোবর কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে ২০০টি ট্রলি ঢাকায় আনা হয়েছে। এছাড়া, প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে আরো ২০০টি ট্রলি পাওয়া যাবে, যার মধ্যে ১৫০টি শাহজালালে এবং বাকি ৫০টি সিলেট ও চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে পাঠানো হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ট্রলিগুলো যুক্ত হলে শাহজালালে মোট ট্রলির সংখ্যা সাড়ে চার হাজার ছাড়িয়ে যাবে। তখন আর কোনো সংকট থাকবে না। একাধিক ফ্লাইট একসঙ্গে নামার কারণে ট্রলি সংকট তৈরি হতো, কিন্তু এখন সেই আশঙ্কা নেই।
ক্ষোভ ও ভোগান্তির প্রেক্ষাপট
গত প্রায় এক বছর ধরে শাহজালাল বিমানবন্দরে ট্রলি নিয়ে যাত্রীদের মধ্যে চরম ভোগান্তি চলছিল। ইমিগ্রেশন শেষ করার পর যাত্রীদের ট্রলি পাওয়ার জন্য দৌড়াতে হতো। ট্রলি না পাওয়ায় ক্ষুব্ধ যাত্রীরা প্রায়ই অসন্তোষ প্রকাশ করতেন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও পোস্ট করে ক্ষোভ প্রকাশ করতেন। এমনকি ট্রলি টানাটানিকে কেন্দ্র করে অপ্রীতিকর ঘটনা ও বাকবিতণ্ডার চিত্রও দেখা গেছে।
বিগত হজ মৌসুমের আগে গোয়েন্দা সংস্থার পক্ষ থেকে ট্রলি সংকটের সতর্কতা দেওয়া হলেও সিভিল এভিয়েশন অথরিটির (বেবিচক) কেনাকাটা দপ্তরের ৫০০টি ট্রলি ক্রয়ের প্রস্তাব অনুমোদন পায়নি। ফলে পরিস্থিতি চরম আকার ধারণ করে। সেসময় চট্টগ্রাম ও সিলেট থেকে ২৫০টি ট্রলি এনে সাময়িকভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়েছিল।
অবশেষে কক্সবাজার থেকে ট্রলি আনা এবং প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সহায়তার মাধ্যমে শাহজালাল বিমানবন্দরের দীর্ঘদিনের ট্রলি সংকট আপাতত সমাধান হতে যাচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন