০৮:৪৯ পি.এম
শ্রেণিকক্ষে ‘শারীরিক বলপ্রয়োগ’ বা শিক্ষার্থীদের ‘শাস্তি’ দেওয়ার অনুমতি ডেনমার্কের শিক্ষকদের দেওয়া হচ্ছে, সহিংসতা বৃদ্ধির অভিযোগের প্রেক্ষিতে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, কেন্দ্রীয়-বামপন্থি সরকারের প্রস্তাবিত একটি সংস্কারের আওতায়, আগামী বছরের আগস্ট মাস থেকে শিক্ষকরা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী শিক্ষার্থীদের সরিয়ে নেওয়ার জন্য ‘শারীরিক বলপ্রয়োগ বা নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা’ গ্রহণের অনুমতি পাবেন। এর ফলে শিক্ষকেরা শিক্ষার্থীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে ধরে রাখা, নির্দিষ্ট স্থানে আটকে রাখা বা অন্য কোনো কক্ষে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা নিতে পারবেন।
বর্তমানে, যদি কোনো শিক্ষার্থী নিজের, অন্যদের বা স্কুলের সম্পত্তির জন্য ‘বিপদ’ সৃষ্টি করে, কেবল তখনই শিক্ষকদের বলপ্রয়োগের অনুমতি দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: কোনো দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে পেলে কতদিন ক্ষমতায় থাকবেন নেতানিয়াহু?
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রণীত এই আইনটি জাতীয় শিক্ষক ইউনিয়নের আহ্বানের পরিপ্রেক্ষিতে করা হয়েছে; ইউনিয়নটি দীর্ঘদিন ধরে বলছে যে, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী শিক্ষার্থীদের সামলানো ক্রমশ কঠিন হয়ে পড়ছে।
তবে বিলে উল্লেখ করা হয়েছে, কেবল ব্যতিক্রমী পরিস্থিতিতেই শারীরিক হস্তক্ষেপ করা যাবে এবং তা হতে হবে পরিস্থিতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। শারীরিক বলপ্রয়োগের যেকোনো ঘটনায় অভিভাবক ও পৌর পরিষদকেও অবহিত করতে হবে।
শিক্ষামন্ত্রী ম্যাগনাস হিউনিকে বলেছেন, ‘পরিস্থিতি জটিল বা উত্তপ্ত হয়ে উঠলে শিক্ষকরা কী করতে পারবেন, সে বিষয়ে তাদের মনে কোনো সন্দেহের অবকাশ থাকা উচিত নয়। কোনো শিক্ষকেরই উচিত নয় সহিংস পরিস্থিতিতে প্রয়োজনে হস্তক্ষেপ করার কারণে চাকরি হারানোর ভয় পাওয়া।’
ডেনমার্কে প্রায় ৬০ বছর ধরে স্কুলে বলপ্রয়োগ কার্যকরভাবে নিষিদ্ধ রয়েছে। দেশটি ১৯৬৭ সালেই শারীরিক শাস্তি বেআইনি ঘোষণা করেছিল।
আরও পড়ুন: ‘নেতানিয়াহু সরকারের প্রতি আস্থার অভাব’, বুথফেরত জরিপে মন্তব্য আইজেনকোটের
সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন