প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চট্টগ্রাম নগরীর উন্নয়ন কোন নির্দিষ্ট এলাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না, এমনটি জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ডে উন্নয়নের সুফল সমানভাবে পৌঁছে দিতে পরিকল্পিতভাবে কাজ করার আকাঙ্ক্ষা রয়েছে চসিকের।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) নগরীর টাইগারপাস থেকে অক্সিজেন হয়ে ১ নম্বর দক্ষিণ পাহাড়তলী ওয়ার্ড থেকে ৪১ নম্বর পতেঙ্গা ওয়ার্ড পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও চলমান উন্নয়ন কাজগুলো সরেজমিন পরিদর্শনকালে মেয়র এসব গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন।
মেয়রের বক্তব্য অনুযায়ী, পরিচ্ছন্নতা, সড়ক উন্নয়ন, সবুজায়ন, সৌন্দর্যবর্ধন ও নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাদের লক্ষ্য হলো একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ, স্বাস্থ্যকর, নিরাপদ ও স্মার্ট চট্টগ্রাম গড়ে তোলা।
পরিদর্শনের সময় মেয়র চলমান সৌন্দর্যবর্ধন, বৃক্ষরোপণ, সড়ক সংস্কার, মিডিয়ান উন্নয়ন, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি এবং কাজের গুণগত মান মনোযোগ দিয়ে পর্যবেক্ষণ করেছেন।
এ সময় মেয়র নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উন্নয়ন কাজ শেষ করার জন্য এবং কাজের মান নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও প্রকৌশলীদের নির্দেশ দেন।
অক্সিজেন মোড়ে নির্মাণাধীন গোলচত্বরের কাজ পরিদর্শন করে মেয়র দ্রুত নির্মাণ কাজ শেষ করার জন্য নির্বাহী প্রকৌশলীকে নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক ভারি বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত নগরীর বিভিন্ন সড়ক দ্রুত সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রধান প্রকৌশলীকে নির্দেশ দেন।
মেয়র নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর মিডিয়ান ও আইল্যান্ডে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা দ্রুত অপসারণের জন্য প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন। এ ছাড়া মিডিয়ানগুলোতে পরিকল্পিত বৃক্ষরোপণ ও সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রমে জোরদার করার নির্দেশও দেওয়া হয়।
ডা. শাহাদাত হোসেন আরও বলেন, চট্টগ্রামকে অবকাঠামোগতভাবে আধুনিক করার পাশাপাশি পরিবেশগতভাবেও একটি বাসযোগ্য নগরীতে পরিণত করার জন্য কাজ করা হচ্ছে। ব্যাপক বৃক্ষরোপণ ও সৌন্দর্যবর্ধনের মাধ্যমে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার প্রচেষ্টা চলছে। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলা করতে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সবুজ নগর গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলো দ্রুত সংস্কারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নাগরিকদের দুর্ভোগ কমিয়ে স্বাভাবিক যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করাই অগ্রাধিকার।
মেয়র যোগ করেন, উন্নয়ন কাজে কোনো রকম গাফিলতি বা নিম্নমানের কাজ সহ্য করা হবে না। প্রতিটি প্রকল্প নির্ধারিত মান বজায় রেখে দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে, যাতে নগরবাসী দ্রুত উন্নয়নের সুফল পেতে পারেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়মিত মাঠ পর্যায়ে উপস্থিত থেকে উন্নয়ন কার্যক্রম তদারক করতে এবং নাগরিকবান্ধব সেবা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পরিদর্শনকালে চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী এবং প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমানসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন