প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে একাধিক ককটেল বিস্ফোরণের প্রতিবাদে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল তাৎক্ষণিকভাবে বিক্ষোভ মিছিল করেছে।
আজ রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে রাজধানীর শাহবাগ মোড় থেকে শুরু হয়ে বিক্ষোভ মিছিলটি টিএসসিতে এসে শেষ হয়। এ সময় তারা ‘লীগ ধর, জেলে ভর’, ‘একটা একটা লীগ ধর, ধরে ধরে জেলে ভর’, ‘আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে, ডাইরেক্ট অ্যাকশন’- এর মতো স্লোগান দিতে দেখা যায়।
মিছিল শেষে ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন শাওন বলেন, "ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ প্রত্যেকটি ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা, শিক্ষার পরিবেশ ও স্বাভাবিক পরিস্থিতি বিঘ্নিত করার যেকোনো অপচেষ্টা আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করব। কোনো অপশক্তিকে দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেওয়া হবে না। দেশের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও মানুষের নিরাপত্তা রক্ষায় আমরা সর্বদা সজাগ রয়েছি। সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান আপসহীন।"
এর আগে, সন্ধ্যা ৬টা ৪২ মিনিটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি, মুক্তি ও গণতন্ত্র তোরণের কাছে, ভিসি চত্বর এবং নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। মোট ৮ থেকে ১০টি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। এই বিস্ফোরণের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে তিনজনকে আটক করে গণধোলাই দেওয়া হয়। পরে তাদের শাহবাগ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
আটক ব্যক্তিরা হলেন- নাজমুস সাদ (৩৩), সোহেল রানা (৩৩) ও রেজাউল করিম (৪২)। নাজমুস সাদের বাড়ি গোপালগঞ্জ, সোহেলের বাড়ি রাজশাহী এবং রেজাউলের বাড়ি নাটোরে।
শাহবাগ থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান সমকালকে জানান, আট ব্যক্তিদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মো. ইসরাফিল প্রাং সমকালকে বলেন, "৮ থেকে ১০টি ককটেল বিস্ফোরণ করা হয়েছে। এতে হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন