প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ডাগআউটে দাঁড়িয়ে কোচরা পদ হারানোর ঝুঁকি মাথায় নিয়ে থাকেন। ম্যাচে পরাজিত হলে সেই শঙ্কা বেড়ে যায়।
তবে ফাতিহ তেক্কের ক্ষেত্রে বিষয়টি ভিন্ন ছিল। ট্রাবজোনস্পর ম্যাচে পরাজয়ের পর চাপ তার ওপর তখনো আসেনি।
কেননা ক্লাব কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে ফাতিহকে কিছুই জানানো হয়নি। কিন্তু তিনি সবাইকে বিস্মিত করে দেন।
কাউকে কিছু না জানিয়ে পদত্যাগের ঘোষণা দেন ট্রাবজোনস্পরের কোচ। সেটি তিনি টেলিভিশনে লাইভে জানান।
পদত্যাগের বিষয়ে ফাতিহ মন্তব্য করেন, ‘আমি অত্যন্ত সম্মানজনক পদ থেকে পদত্যাগ করছি। আজকের এই পরাজয় একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয়।
দুর্ভাগ্য বা বাজে পরিস্থিতি মেনে নেওয়া যায়, কিন্তু এই হার আমি মেনে নিতে পারছি না। এই অনুভূতি নিয়ে আমি ঘুমাতেও পারছি না। সবাই আমাকে ক্ষমা করে দেবেন। আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি।’
ফাতিহ পদত্যাগের বিষয়টি কাউকে জানাননি।
তিনি বলেছেন, ‘রাতটি আমাদের জন্য ভীষণ কষ্টের ছিল। অবশ্যই এর প্রধান কারণ আমি এবং আমার দল। আমাদের দেশ এবং ক্লাব—উভয়ের জন্যই এটি অত্যন্ত দুঃখের রাত। আমি আর ব্যাখ্যা করব না। কেউ জানে না। এই মুহূর্ত থেকে, ১৮ মাস পর আমি আমার পদ থেকে পদত্যাগ করছি। আমার মনে হয় এভাবে নিজেকে শাস্তি দেওয়ার অধিকার আমার আছে।’
বুদাপেষ্টে ইউরোপা লিগের প্লে-অফের দ্বিতীয় লেগে ফেরেঙ্কভারোশির মুখোমুখি হয়েছিল ট্রাবজোনস্পর। প্রথম লেগে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থাকায় গতকাল তাদের জিততেই হতো। কিন্তু ঘুরে দাঁড়ানোর পরিবর্তে ৪-০ গোলে পরাজিত হয়ে টুর্নামেন্ট খেলার স্বপ্ন জলাঞ্জলি দিতে হয়েছে মোহাম্মদ সালাহদের। অথচ, লিভারপুল থেকে ফ্রি ট্রান্সফারে সালাহকে দলে ভিড়িয়ে তুরস্কের ক্লাবটি বড় স্বপ্ন দেখছিল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন