প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ জগদীশপুর-ছাতিয়াইন সড়কের বিভিন্ন স্থানে দীর্ঘ সময় ধরে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় যান চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছিল। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে সড়কে পানি জমে বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। এতে প্রতিদিন বহু মানুষ দুর্ভোগে পড়তেন। এই অবস্থায় স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেশ কয়েক বছর ধরে সড়কটিতে বড় ধরনের সংস্কার কাজ না হওয়ায় রাস্তাটির অবস্থা ক্রমশ খারাপ হতে থাকে। বর্ষা এলেই সড়কের বিভিন্ন অংশে পানি জমে গর্তগুলি আরও বড় আকার ধারণ করত। ফলে যাত্রীবাহী যানবাহন, অটোরিকশা, টমটম ও পণ্যবাহী গাড়ির চলাচলে মারাত্মক সমস্যার সৃষ্টি হতো। স্থানীয় বাসিন্দারা দীর্ঘ সময় ধরে সড়কটি সংস্কারের দাবিতে সোচ্চার ছিলেন। এদিকে, সড়কের দুরবস্থার বিষয়টি হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর-চুনারুঘাট) আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ মো. ফয়সল, সায়হাম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ এবং সায়হাম নীট কম্পোজীটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ সাফকাত আহমদ এর নজরে এলে দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। তাদের নির্দেশনায় মঙ্গলবার সকাল থেকে নিজের অর্থায়নে সড়কটির জরুরি সংস্কার কাজ শুরু হয়েছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সায়হাম গ্রুপের বিভিন্ন যানবাহনের মাধ্যমে ইট ও খোয়া ফেলে সড়কের বড় বড় গর্তগুলি ভরাট করা হচ্ছে। জগদীশপুর তেমুনিয়া এলাকা থেকে ছাতিয়াইন পর্যন্ত কিছু ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে একযোগে সংস্কার কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। শ্রমিকরা দ্রুততার সঙ্গে কাজ করে যান চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছেন। স্থানীয় টমটম চালক ইউসুফ মিয়া বলেন, “অনেক দিন ধরে এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে আমাদের অসহনীয় কষ্ট হয়েছে। গর্তের কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকত। এখন যেভাবে সংস্কার করা হচ্ছে, তাতে চলাফেরা অনেক সহজ হবে।“ মাধবপুর উপজেলা প্রকৌশলী রেজাউন নবী বলেন, “সড়কটি আরও উন্নতভাবে সংস্কার করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে বর্ষা মৌসুম শেষ হলে স্থায়ী সংস্কার কাজ বাস্তবায়ন করা হবে। এতে মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর হবে বলে আশা করছি।” স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, জরুরি ভিত্তিতে শুরু হওয়া এই সংস্কার কাজের ফলে আপাতত যান চলাচল স্বাভাবিক হবে। পাশাপাশি তারা দ্রুত স্থায়ী সংস্কারেরও দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে আর এমন দুর্ভোগের মুখে পড়তে না হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন