প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প মন্তব্য করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের শীর্ষ নেতাদের লক্ষ্য করে হামলা চালাতে গিয়ে সম্ভবত ‘বেশি দূর’ চলে গেছে। তিনি এ কথা বলেন যে, এর ফলে আলোচনার জন্য ইরানের কোন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে, তা খুঁজে বের করা ওয়াশিংটনের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সময় সোমবার (১২ অক্টোবর) ওহাইও অঙ্গরাজ্যে অনুষ্ঠিত এক নির্বাচনী সমাবেশে ট্রাম্প বলেন, ‘ইরানি নেতৃত্বকে লক্ষ্যবস্তু করার ক্ষেত্রে আমরা হয়তো বেশি দূর চলে গেছি। কারণ, এখন আর বুঝতেই পারছি না, আসলে কার সঙ্গে কথা বলছি।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘সত্যি বলতে, কার সঙ্গে আলোচনা করব, তা নির্ধারণ করতে আমাদের বেশ কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমার মনে হয়, আমরা বেশি দূর চলে গেছি।’
এদিকে, মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে অর্থনৈতিক নীতি এবং ইরান যুদ্ধের প্রভাবে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারানোর শঙ্কায় রয়েছে সরকারি দল রিপাবলিকানরা। ভোটের আগে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বড় ধরনের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। পরিস্থিতি সামাল দিতে তিনি নিজ দলের শক্ত ঘাঁটিতেও নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের মধ্যবর্তী নির্বাচন ঘিরে কংগ্রেস দখলের লড়াই জমে উঠেছে। ক্ষমতাসীন রিপাবলিকানদের জন্য সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখা ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। এমারসন কলেজের সর্বশেষ জাতীয় জরিপে ডেমোক্র্যাটদের সমর্থন ৫৩ শতাংশ, বিপরীতে রিপাবলিকানদের ৪২ শতাংশ।
একই জরিপে ট্রাম্পের কর্মকাণ্ডে সন্তুষ্ট মাত্র ৩৯ শতাংশ মার্কিন নাগরিক। অসন্তুষ্ট ৫৮ শতাংশ। অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, দ্রব্যমূল্য, শুল্কনীতি এবং ইরান যুদ্ধ নিয়ে ভোটারদের একাংশের অসন্তোষ রিপাবলিকানদের নির্বাচনী সম্ভাবনায় নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। এমনকি রিপাবলিকানদের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত টেক্সাস ও ওহাইওতেও কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে দলটির প্রার্থীরা।
পরিস্থিতি সামাল দিতে নির্বাচনী প্রচারণায় জোর দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তিনি ওহাইওতে রিপাবলিকান সিনেটর জন হাস্টেডের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন। আলাস্কাসহ গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যগুলোতেও রিপাবলিকান প্রার্থীদের বিজয় নিশ্চিত করতে তৎপর দলটি।
আগামী ৩ নভেম্বরের নির্বাচনে প্রতিনিধি পরিষদের ৪৩৫ আসনের সবগুলো এবং সিনেটের ৩৫টি আসনে ভোট অনুষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে গভর্নর ও স্থানীয় আইনসভার হাজারো পদে প্রতিনিধি নির্বাচিত করবেন মার্কিন ভোটাররা। প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট বাদে যুক্তরাষ্ট্রের ৩৬টি অঙ্গরাজ্যে গভর্নর নির্বাচন এবং বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য আইনসভার ৬ হাজার ১৩৯ আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ডেমোক্র্যাটরা যদি প্রতিনিধি পরিষদে মাত্র ৪টি আসন এবং সিনেটে ৪টি আসন লুফে নিতে পারে, তবে রিপাবলিকানরা কংগ্রেসের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ হারাবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন