প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রফতানিমুখী দেশীয় বস্ত্রখাতের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক নগদ সহায়তা (ক্যাশ ইনসেনটিভ) উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি করেছে। বিদ্যমান ১ দশমিক ৫০ শতাংশের পরিবর্তে এ খাতে ৫ শতাংশ নগদ সহায়তা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য এ সুবিধা কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে।
রোববার (১২ জুলাই) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ পলিসি ডিপার্টমেন্ট (এফইপিডি)-১ থেকে জারি করা এক নির্দেশনার মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। নির্দেশনাটি দেশের সব অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ও প্রিন্সিপাল অফিসে পাঠানো হয়েছে।
এতে উল্লিখিত হয়েছে, সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রফতানিমুখী দেশীয় বস্ত্রখাতে শুল্ক বন্ড ও ডিউটি ড্র-ব্যাকের বিকল্প হিসেবে প্রদান করা নগদ সহায়তা ১ দশমিক ৫০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে।
তবে, এই সুবিধা গ্রহণ করতে হলে রফতানিকারকদের কিছু শর্ত পূরণ করতে হবে। বিজিএমইএ, বিকেএমইএ অথবা অন্যান্য সংশ্লিষ্ট অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য রফতানিকারকদের নগদ সহায়তা গ্রহণের পূর্বে দেশীয় উৎস থেকে কাঁচামাল, বিশেষ করে সুতা ও কাপড় সংগ্রহের যথাযথ প্রমাণপত্র দাখিল করতে হবে।
এছাড়া, সুতা ও কাপড় সংগ্রহের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্বে জারি করা এফই সার্কুলার নম্বর-০৭ (৩ জুন ২০০৩), এফই সার্কুলার নম্বর-০৯ (৫ মার্চ ২০০১) এবং এ সংক্রান্ত অন্যান্য নির্দেশনা ও শর্তাবলি অপরিবর্তিত থাকবে।
নির্দেশনায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ৩০ জুন ২০২৭ সময়ের মধ্যে জাহাজীকৃত (শিপড) রফতানি পণ্যের ক্ষেত্রে এই বর্ধিত নগদ সহায়তা প্রযোজ্য হবে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট সব গ্রাহক ও রফতানিকারককে অবহিত করার জন্য ব্যাংকগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন